,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চন্দনাইশ ইউপি নির্বাচনে আ লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কারা?

cনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে  চন্দনাইশের ইউপি নির্বাচনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। উপজেলার প্রায় প্রত্যকটি ইউনিয়নে দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে মরিয়া আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী। মনোনয়ন প্রত্যাশী এসব প্রার্থীরা দিনেরাতে এলাকার তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সমর্থন লাভের চেষ্টার পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের দুয়ারে ধর্না দিচ্ছে । প্রায় প্রত্যকটি ইউনিয়নে  একাধিক  প্রার্থী থাকায়  বাছাইয়ে জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দকে  হিমশিম খেতে হচ্ছে।

চন্দনাইশ উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতা কর্মীরা কেউ কাউকে ছাড় না দিতে না রাজ । ফলে একাধিক প্রার্থীর মাঝ থেকেই জনসমর্থিত একজনকেই মনোনয়ন দেয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা উপজেলা নেতৃবৃন্দ। এরমধ্যে দোহাজারী ইউনিয়ন ও সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের দুটি ওয়ার্ড নিয়ে পৌরসভা গঠনের ঘোষণায় এ দু’টি ইউনিয়নে নির্বাচন হওয়া না হওয়ার দোলাচলে দুলছে প্রার্থীরা। তবে পৌরসভা ঘোষনা সম্পর্কিত কোন কাগজপত্র এখনো পর্য্যন্ত নির্বাচন অফিসে না আসায় জেলা নির্বাচন অফিস দোহাজারী এবং সাতবাড়িয়া ইউনিয়নেও নির্বাচনের প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছ্মিশ

নির্বাচনী তালিকায় থাকা উপজেলার ইউনিয়নগুলো হচ্ছে ১ নং কাঞ্চনাবাদ, ২ নং জেয়ারা, ৪ নং বরকল, ৫ নং বরমা, ৬ নং বৈলতলী, ৭ নং সাতবাড়িয়া, ৮ নং হাশিমপুর, ৯ নং দোহাজারী ও ১০ নং ধোপাছড়ি ইউনিয়ন। সবগুলো ইউনিয়নেই প্রার্থীর সংখ্যা বেশী হওয়ার মুখে গত ২৭ মার্চ থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী নির্বাচনে সিদ্ধান্ত নিতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ প্রতিটি ইউনিয়নে পৃথক পৃথকভাবে তৃণমূল পর্যায়ের সভা চালিয়ে যাচ্ছে।

 প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আওয়ামী লীগ থেকে প্রার্থী হয়ে যারা নৌকার হাল ধরতে চান তারা হলেন কাঞ্চনাবাদ ইউনিয়নে বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট নজরুল ইসলাম সেন্টু, চেয়ারম্যান আবদুস শুক্কুর কোম্পানি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান। জোয়ারা ইউনিয়নে চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য ও কাঞ্চনাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি আমিন আহমদ চৌধুরী রোকন, বর্তমান চেয়ারম্যান আহমদ হোসেন ফকির,ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা আবদুস ছবুর। বরকল ইউনিয়নে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস খান, যুবলীগ নেতা তৌহিদুল আলম, যুবলীগ নেতা মুরিদুল আলম মুরাদ। বরমা ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যন নুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবু হেনা ফারুকী, বরমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা শাহেদুল ইসলাম কাজেমী, বলরাম চক্রবর্ত্তী, জাভেদ মোহাম্মদ গাউস মিল্টন, খোরশেদ আলম চৌধুরী টিটু। বৈলতলী ইউনিয়নে শ্রমিক লীগ নেতা মাহামদুল হক বাবুল, আনোয়ারুল মোস্তফা চৌধুরী দুলাল, আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন বাহাদুর, বৈলতলী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এস এম সায়েম মেম্বার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা কবির আহমদ সওদাগর, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এড. নাসির উদ্দীন। সাতবাড়িয়া ইউনিয়নে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শিবলী, আওয়ামী লীগ নেতা বর্তমান চেয়ারম্যান আহমদুর রহমান ভেট্টা, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট সিরাজউদ্দৌলা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বেলাল হোসেন মিঠু। হাশিমপুর ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হেলাল উদ্দীন চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট খোরশেদ বিন ইসহাক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য জাকের হোসেন চৌধুরী, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি মাহাবুবুল হক বাবুল। দোহাজারী ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুব ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বেগ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবর আলী ইনু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক বশীর উদ্দীন মুরাদ, দোহাজারী হাজারী শপিং সেন্টার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান প্রয়াত আবুল কাশেম লেদুর পুত্র মোহাম্মদ লোকমান হাকিম। ধোপাছড়ি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ নেতা মোরশেদুল আলম, সাবেক চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা শাহাজাদা দেলোয়ার হোসেন, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলাম খোকা। তারপরও জেলা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ মনে করছেন তারা তৃণমূল বৈঠকের মাধ্যমে একক প্রার্থী বের করে আনতে পারবেন। চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু আহমদ জুনু জানিয়েছেন তৃণমুল বৈঠকের মাধ্যমেই প্রতিটি ইউনিয়নে একক প্রার্থী বেছে নেয়া হবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

 চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান শুধু চন্দনাইশ নয় পুরো দক্ষিন চট্টগ্রামেই একক প্রার্থী বের করে আনা হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কারো প্রার্থী হওয়ার কোন সুযোগ নেই। সিদ্ধান্ত অমান্য করে কেউ প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান জেলা সাধারণ সম্পাদক।

মতামত...