,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চবিতে ছাত্রলীগের দুগ্রুপের সংঘর্ষের পর ২ হলে তল্লাশি ৩৯ আটক

নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনায় দু’টি আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়ে ৩৯ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় দেশীয় অস্ত্র ছাড়াও বেশ কিছু লাঠিসোটা উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে শাটল ট্রেনে বসাকে কেন্দ্র করে চবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী সুজনের অনুসারীদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার সকালে হলের বাইরে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও টিপুর অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মী ফাহিম হাসানকে মারধর করেন প্রতিপক্ষের নেতা-কর্মীরা।

এ নিয়ে দুপুরে ফের উভয়ের পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বডি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরবর্তীতে বিকেলে হলের প্রক্টোরিয়াল বডি ও হল কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে শাহ জালাল এবং শাহ আমানতের বিভিন্ন কক্ষে তল্লাশি চালায় পুলিশ।

হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপুর মো. লুৎফুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা উদ্ধার করা হয়েছে। আর শাহজালাল হল থেকে সন্দেহভাজন ২১ জন ও শাহ আমানত হল থেকে ১৮ জনকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র বলেন, বর্তমানে ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন, সামান্য বিষয়কে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ঘটনা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন চবি শাখার সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা যেতো। কিন্তু হলে ঢুকে ছাত্রদের আটক করার কোনো এখতিয়ার নেই পুলিশের।

অবিলম্বে কর্মীদের ছেড়ে না দিলে কঠোর আন্দোলনেরও হুমকি দেন ফজলে রাব্বী সুজন।

মতামত...