,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চসিকের নতুন এসেসমেন্ট ২ বছর স্থগিত রাখার প্রস্তাব নগর আওয়ামী লীগের

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::গৃহকর নিয়ে সিটি মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের সাথে নগর আওয়ামী লীগের নেতাদের বৈঠক কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। যে যার অবস্থানে অনড় থেকেছেন। আওয়ামী লীগের নেতারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) নতুন এসেসমেন্ট দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন। অপরদিকে সিটি মেয়র বলেছেন, আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে হোল্ডিং মালিকদের সর্বোচ্চ ছাড় দেয়া হবে। আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে এসেসমেন্ট স্থগিত কিংবা বাতিল করার কোনো সুযোগ নেই। বৈঠক প্রায় আড়াই ঘণ্টা স্থায়ী হয়। তবে সভাশেষে আওয়ামী লীগ নেতাদের কেউ সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেননি।

বৃহস্পতিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে শুরু হওয়া বৈঠকের আগে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হন। আলোচনা শুরু হওয়ার আগে সাংবাদিকদের বাইরে বসার অনুরোধ করা হয়। সাংবাদিকরা কক্ষ থেকে বের হয়ে গেলে আলোচনা শুরু হয়। টানা আলোচনা চলে মাগরিবের নামাজ পর্যন্ত। বৈঠকে সিটি মেয়রসহ কয়েকজন নেতা রোজাদার ছিলেন। আযানের সময় তারা একসাথে বসে ইফতার করেন। ইফতার এবং মাগরিবের নামাজশেষে আবার তারা আলোচনা শুরু করেন। সাড়ে ৬টার দিকে বৈঠক থেকে বের হন নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। মিনিট দশেক পর অন্য নেতারা লাইন ধরে বের হন। পৌণে ৬টার দিকে বের হন সিটি মেয়র।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, এডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিক আদনান, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ হাসান মাহমুদ চৌধুরী সমশের, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, আইন সম্পাদক এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক চন্দন ধর, বন পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী।

চট্টগ্রামের সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, ট্যাক্স নিয়ে অস্থির বা ক্ষুব্ধ হওয়ার কারণ নেই। জনগণের প্রতি আমার কমিটমেন্ট, দায়বদ্ধতা আছে। এই শহরেরই আদি বাসিন্দা আমি। ব্যক্তি হিসেবে এবং দল হিসেবে আমার দায়বদ্ধতা আরো বেশি। জনগণের প্রতি আমার আহবান আপনারা আপিল করেন। প্রতিদিনই আপিল পড়ছে। আমি নিশ্চিত যে যাই বলুক না কেন, দিনশেষে করদাতারা অবশ্যই অবশ্যই সন্তুষ্ট হবেন। গতকাল নগর আওয়ামী লীগের ১০ নেতার সাথে গৃহকর নিয়ে মতবিনিময়শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

সিটি মেয়রের সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে নগর আওয়ামী লীগের সহ–সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন বলেন, আমরা সিটি মেয়রকে দুইটি প্রস্তাব দিয়েছি। একটি হল, নতুনভাবে করা এসেসমেন্ট দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখা। অথবা সাবেক মেয়রের আমলে করার এসেসমেন্টকেই নতুন এসেসমেন্ট হিসেবে গ্রহণ করে শুধুমাত্র যেসব ভবনের দৈর্ঘ্য–প্রস্থ বৃদ্ধি পেয়েছে তাদের কর বৃদ্ধি করা। একইসাথে বন্দর, রেলওয়েসহ সরকারি সংস্থাগুলি থেকে বেশি করে কর আদায় করার প্রস্তাব দেন তারা।

মতামত...