,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চামড়ার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না বিক্রেতারা

lনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ  সরকার থেকে চামড়ার দাম নির্ধারণ করে দিলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। তাদের অভিযোগ— চামড়ার এজেন্টরা দাম কম দিয়ে চামড়া নিয়ে যাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীদের দাবি— চামড়ার প্রকৃত দাম দেওয়া হয়েছে। তাতে খুশি নন বিক্রেতারা।

চামড়ার ব্যবসাসংশ্লিষ্ট তিনটি ব্যবসা সংগঠন ৯ সেপ্টেম্বর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলন করে, কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণের বিষয়টি জানায়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছিল, রাজধানীতে লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট সর্বোচ্চ ৫০ টাকা, রাজধানীর বাইরে ৪০ টাকা। এ ছাড়া খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট সর্বোচ্চ ২০ টাকা, বকরির চামড়া দাম প্রতি বর্গফুট ১৫ টাকা ও মহিষের চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার অলি-গলিতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেই চামড়া সংগ্রহ শুরু করেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা। এরপর তা নিয়ে তারা ট্যানারির এজেন্ট ও আড়তদারদের কাছে ছুটেছেন ভালো দামের আশায়।

ঢাকার মোহাম্মদপুরের একজন বিক্রেতা বলেন, ‘চামড়ার দাম কম পাওয়া যাচ্ছে। এক হাজার টাকার চামড়া বিক্রি করেছি ৬০০ টাকায়।’

সারাদিন বৃষ্টি ছিল তাই দরদাম করতে পারিনি। কম দাম হলেও বিক্রি করে দিয়েছি— যোগ করেন ওই ক্রেতা।

মহাখালীর আরজতপাড়ার আনিস মিয়া বলেন, ‘যে ছাগলের চামড়ার দাম ৩০০ টাকা হওয়ার কথা। তা বিক্রি করেছি ২০০ টাকায়।’

চামড়ার মৌসুমী ব্যবসায়ী ঝিগাতলার মো. রিয়াজ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আগের মতো লাভ হচ্ছে না। ট্যানারি মালিকরা চামড়ার যা দাম দিচ্ছে তাতে খুশি হতে পারছি না।’

এবার ব্যবসা ভালো জমবে না বলে তিনি শঙ্কা প্রকাশ করেন।

তবে ট্যানারি এজেন্ট সংশ্লিষ্ট কয়েকজন জানান, বিক্রেতা ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়ার দাম বেশি চাইছেন। ফলে কেউ কেউ অখুশি থাকতে পারেন।

তবে চামড়া ন্যায্যমূলে কেনা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

মতামত...