,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ছোট খবরে বড় সাফল্য! ৮ পাচারকারি আটক

aনিজস্ব  প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা, টাঙ্গাইলের রওশন আরা নামের এক নারী গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের কাছে অভিযোগ করেন ১৭ অগাস্ট তার মেয়েকে কে বা কারা অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনে ৫ লাখ মুক্তিপণ দাবি করছে।

এই অভিযোগ পাওয়ার পরই র‌্যাব মাঠে নামে এবং গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টায় টাকা দেওয়ার ফাঁদ পাতে।

আটক করা হয়েছে, রোকন (২১), আয়শা আক্তার (২৫),আমির (২২), হাসান (৩০),হাবিব (৩২), মিল্টন (২২), সামাদ (৩২) ও মামুন মীর্জা (২৮) ৮ জন কে ।

তাদের কাছ থেকেই চারজন নারী ও কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়, যাদের পাচারের জন্য জড়ো করা হয়েছিল বলে র‌্যাব জানায়।

টাঙ্গাইলের রওশন আরা নামের এক নারী গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তাদের কাছে অভিযোগ করেন ১৭ অগাস্ট তার মেয়েকে কে বা কারা অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনে ৫ লাখ মুক্তিপণ দাবি করছে।

এই অভিযোগ পাওয়ার পরই র‌্যাব মাঠে নামে এবং গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টায় টাকা দেওয়ার ফাঁদ পাতে।

এই কৌশলেই গাজীপুরের বড়বাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে রোকন এবং আয়েশা নামের দুই নারী পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র‌্যাবের মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ খান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তাদের কাছ থেকে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। তাকে ৮০ হাজার টাকায় যাত্রাবাড়ির আমির ও হাসানের কাছে বিক্রির পরিকল্পনা হচ্ছিল বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারে র‌্যাব।

ওই কিশোরীকে বিক্রির ফাঁদ পেতে ২৭ ফেব্রুয়ারি আমির এবং হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং যাত্রাবাড়ীতে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা এক তরুণীকে উদ্ধার করা হয় বলে জানান মুফতি মাহমুদ।

ওই তরুণী ও কিশোরীকে ভারতের কলকাতার গরিয়া নামে এক কথিত দিদির কাছে চার লাখ টাকায় বিক্রির পরিকল্পনার কথাও জানতে পারে র‌্যাব।

মুফতি মাহমুদ বলেন, “এরপর র‌্যাব কথিত দিদির বাংলাদেশি প্রতিনিধিদের ধরতে ওই দুজনকে টোপ হিসাবে ব্যবহার করে। এই টোপে সহজেই পা দেয় হাবিব, মিল্টন এবং সামাদ।”

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টায় যশোরের বেনাপোল সীমান্ত এলাকার সূর্যখালি এলাকা থেকে ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

তাদের দেওয়া তথ্যে রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে মামুন মীর্জাকে ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকালে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে আরও দুই কিশোরীকে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয় বলে র‌্যাব মুখপাত্র মুফতি মাহমুদ জানান।

তিনি বলেন, “এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে নারী পাচারের সাথে জড়িত। তারা কখনও চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে, কখনও অপহরণ করে, কখনওবা বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অশ্লীল ছবি তুলে প্রতারণার মাধ্যমে গরিব-অসহায় নারী-কিশোরীদের পাচার করে আসছে।”

মুফতি মাহমুদ বলেন, আটজনের কাছ থেকে বিভিন্ন নামে ১২টি পাসপোর্ট-জাল ভিসা, বিমানের ৫১টি জাল টিকেট, বিদেশে চাকরির ৫৩টি ভুয়া নিয়োগপত্র, ভিডিও ক্যামেরা, মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার আটজন এই পর্যন্ত প্রায় চারশ’ নারীকে পাচারের কথা স্বীকার করেছে বলে র‌্যাব মুখপাত্র জানান। তাদের ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

 

 

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১/০০০৩০৩ /এস

মতামত...