,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে : যুবলীগ চেয়ারম্যান

 aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধর্ম-বর্ণ-জাত নির্বিশেষে- অসাস্প্রদায়িক বাংলা গড়ে তোলার প্রত্যয়ে এই বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করেছিল। সেই প্রত্যেয়ের বুকে প্রাতিষ্ঠানিক দুরিকাঘাত করেছিল জিয়াউর রহমান।  আর খালেদা জিয়া এদেশে জঙ্গিদের প্রশ্রয় দিচ্ছে। সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুব সমাজকে রুখে দাড়াতে হবে।

শনিবার ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর আওয়ামী যুবলীগ উত্তরের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গুপ্ত হত্যা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুব সমাবেশ তিনি এ কথা বলেন।

যুবলীগ চেয়ারম্যান বলেন, নাগরিকত্ব বাতিল করার পর ৭১ -এর শীর্ষ দালাল বাংলাদেশের শত্রু গোলাম আজমকে ফিরিয়ে এনে রাজনীতিতে পূর্ণবাসন করেছিল জিয়াউর রহমান। এই গোলাম আজমের জামায়াত শিবির ৭১-এ সরাসরি বাঙ্গালী গণহত্যায় অংশগ্রহণ করেছিল।

যুবলীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি মাঈনুল হোসেন খাঁন নিখিলের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেনের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কার্যনির্বাহী সদস্য  এস.এম কামাল হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওছার, সুচিন্তা, বাংলাদেশের আহ্বায়ক এ. আরাফাত, যুবমহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত, মো. ফারুক হোসেন, মাহবুবুর রহমান হিরণ, আব্দুস সাত্তার মাসুদ, আতাউর রহমান, সিরাজুল ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম, সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণ সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ।

ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- মনে রাখতে হবে-বাংলাদেশের বিভক্ত রাজনীতির মধ্যেও রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা অবিসংবাদিত নেত্রী। সকল মত ও পথের মানুষ বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা দৃঢ় চিত্ত নেতৃত্বই বাংলাদেশের রাজনীতির ও জাতির প্রাণ। তাই আজ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ তৈরি হয়েছে। গুলশান ট্রাজেডির পর সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে নারী ও তরুণদের মধ্যে এক ধরণের সচেতনতা সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি যে সব বাবা-মায়ের সন্তান জঙ্গি হয়েছে, তারাও সন্তানস্নেহে অন্ধ না হয়ে তাদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। ২ জুলাই ভোরে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরায় যৌথ বাহিনীর কমান্ডে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি এবং ঈদের দিন শোলাকিয়ায় এক জঙ্গি এবং ২৬ জুলাই কল্যাণপুরে ৯ জঙ্গি নিহত হওয়ার পর তাদের লাশ গ্রহণ করতে কাউকে পাওয়া যায়নি। এখনো লাশগুলো হাসপাতালের মর্গে পড়ে আছে। কোনো কোনো বাবা-মা বলেছেন, তারা জঙ্গি সন্তানের লাশ নেবেন না। এলাকায় লাশ দাফন হোক, এটাও তারা চান না।  সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে যুব সমাজকে রুখে দাড়াতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে-এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনার দেশ। জঙ্গিবিরোধী জাতীয় ঐক্যমত্য আজ ঘরে ঘরে। ১লা জুলাই গুলশানের হলিআর্টিজান রেস্তোরায় জঙ্গীদের হাতে ২০ জন নিরীহ ও নিরপরাধ মানুষ নিহত হওয়ার পর জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষই ঘৃণা ও ধিক্কার জানিয়েছে এবং তা এখনো অব্যাহত আছে। তারা হয়তো মিছিলে আসেনা, কিন্তু জঙ্গিবিরোধী মনোভাবটা জাগরক রেখেছে।

 

মতামত...