,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

জনস্বার্থকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই মহল বিশেষের অপ-প্রচারঃমেয়র

azm nasirনিজস্ব প্রতিবেদক,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃচট্টগ্রাম,  উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে কোনো বিশেষ মহলের স্বার্থ প্রাধান্য দিয়ে গণমাধ্যম জনস্বার্থকে প্রশ্নবিদ্ধ করলে তখন জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের ভাটা পড়ে বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

জাইকা সাহায্যপুষ্ট সিটি গভর্নেন্স প্রকল্পভূক্ত সিটি করপোরেশন অবকাঠামো উন্নয়ন ও ইনক্লুসিভ নগর পরিকল্পনা উন্নতকরণ কর্মসূচি (আইসিজিআইএপি) সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে গঠিত সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির তৃতীয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে মেয়র এ মন্তব্য করেন।বুধবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে নগর ভবনের কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

মেয়র বলেন, গণমাধ্যম বস্তুনিষ্ট খবর পরিবেশন করে নাগরিক সেবাকে উৎসাহিত করতে পারে। তাদের লেখনীতে সত্য ও জনস্বার্থে আলোচনা-সমালোচনা থাকলে কোনো আপত্তি থাকে না।

সভায় কমিটির সদস্যসচিব কাজী মোহাম্মদ শফিউল আলম, প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলরসহ সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিসহ ১০৩ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আলোচ্যসূচি এবং বিবিধ বিষয়ে বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক এম নাসিরুল হক, আইইবির সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ হারুন, ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার এমএ রশিদ, প্রকৌশলী মো. কফিল উদ্দিন, খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ ছগীর আহমদ, চিটাগাং চেম্বারের পরিচালক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন, মাহফুজুল হক, বিএমএ চট্টগ্রাম সভাপতি ডা. মজিবুল হক, এডিশনাল পিপি মিলি চৌধুরী, ওম‌্যান চেম্বার পরিচালক রেখা আলম চৌধুরী, সীমা খাতুন, স্থপতি সোহেল মো. শাকুর, প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, এয়াছিন চৌধুরী আশু, ইসমাঈল বালি, তারেক সোলায়মান সেলিম, হারুন-উর রশিদ, শফিউল আলম প্রমুখ।

মেয়র বলেন, নাগরিক সেবার জন্য নগরবাসী হোল্ডিং ট্যাক্সের মাধ্যমে সেবা পেয়ে থাকে। হোল্ডিং ট্যাক্স সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হয়। চসিককে হোল্ডিং, কনজারভেন্সি ও আলোকবাতির জন্য সর্বমোট ১৭ ভাগ ট্যাক্স ধার্য্ ও আদায়ের ক্ষমতা দিয়েছে। ১৯৮৫ সালে ধার্যকৃত এ হার বর্তমানেও অব্যাহত আছে। গত ৩১ জানুয়ারি নতুন একটি গেজেট জারি হয়েছে। এতে আলোকায়নের জন্য ৩-৫ ভাগ কর ধার্য্ করেছে।

তিনি বলেন, চসিক নগরীকে শতভাগ আলোকিত না করে বর্ধিত এ হার নগরবাসীর ওপর ধার্য্ করা থেকে বিরত রয়েছে। ১৯৮৫ সালের নিয়মেই হোল্ডিং ট্যাক্স ধার্য্ ও আদায় করা হচ্ছে এবং হবে। পৌরকর বিষয়ে একটি মহল নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার কাজে লিপ্ত হয়েছে-যা কাম্য নয়। কারণ মেয়রের কর আরোপের কোনো ক্ষমতা নেই। সরকারের ধার্যকৃত কর আদায় করাই চসিকের দায়িত্ব এবং চসিক সে দায়িত্বই পালন করে মাত্র।

মেয়াদের শেষদিন পর্যন্ত সততা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে যাবেন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, কালুরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত মেরিনার্স সড়ক সম্প্রসারণ করা, ফিশারিঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ওভারপাস নির্মাণ, মহেশখাল, চাক্তাই ও রাজা খালের মুখে পাম্প হাউসসহ স্লুইসগেট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। তা ছাড়াও চীনা একটি কোম্পানির মাধ্যমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

 

মতামত...