,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

জাপা আবার আলোচনায়

ersad anusনাছির মীর , বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এক-এগারোর কুশীলব হিসেবে জ্যেষ্ঠ নেতা প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদের   বিচার দাবি করে বক্তব্য দেয়ার পর দলটি আবার আলোচনায় চলে আসে। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে শিগ্রই মুখ খুলছেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পানিসম্পদমন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।প্রকাশ করবেন  মনের ক্ষোভ ও দুঃখ। জানাবেন কোন পরিস্থিতিতে ১/১১এর সময় তিনি জাপার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়ে ছিলেন।

যেকোনো সময় তিনি সাংবাদিকদের ডেকে এরশাদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাবেন। এক-এগারোর সময় কী পরিস্থিতিতে এরশাদের উপস্থিতিতে এবং কী কারণে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েছিলেন, তার ব্যাখ্যা দেবেন। জনমনে ও দলের নেতা-কর্মীদের বিভ্রান্তি নিরসনে সংবাদমাধ্যমে তার অবস্থান পরিষ্কার করার কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাপার একটি সুত্র।

শনিবার  জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টির সম্মেলনে এরশাদ এক-এগারোর কুশীলব হিসেবে তার দলের জ্যেষ্ঠ নেতা আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বিচার দাবি করেন। এক-এগারোর হোতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে দলের ‘ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান’ হয়েছিলেন বলেও দাবি করেন সাবেক এ রাষ্ট্রপতি।

জানা গেছে, এরশাদের এমন বক্তব্যের পর আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও তার অনুসারীরা পার্টির চেয়ারম্যানের ওপর ক্ষুব্ধ হন। বিষয়টি নিয়ে দলের মধ্যেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়। দুদিন ধরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে দলের ঘনিষ্ঠজনদের কাছে এরশাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আনিস। একপর্যায়ে তিনি এরশাদের বিরুদ্ধে মুখ খোলার সিদ্ধান্ত নেন।

জানা গেছে, এরশাদের বক্তব্যকে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও তার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে দাবি করেছেন আনিসুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, এরশাদের ইচ্ছায় তিনি ওই সময় দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি পার্টির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেননি।

যেকোনো সময় সংবাদ সম্মেলন করে আনিসুল ইসলাম মাহমুদ পার্টির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন বলে জানা গেছে। সচিবালয়ে তার দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন তিনি। পার্টির চেয়ারম্যানের ৫ জানুয়ারির সংসদ নির্বাচন বর্জন, সিএমএইচে ভর্তি হওয়া, সেখান থেকে সাংসদ ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হওয়া, বিশেষ করে ছোট ভাইকে কো-চেয়ারম্যান ও জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে অপসারণ করে এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারকে মহাসচিব করাসহ নানা বিষয় উঠে আসতে পারে বলে জানা গেছে।

 

 

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১/০০০৩০৭ /এস

মতামত...