,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

চট্টগ্রামে জামাত শিবিরের ক্যাডারদের হাতে খুন ৮ নেতার কবরে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ২০০০ সালের ১২ জুলাই চট্টগ্রামের শেরশাহ পলিটেকনিক্যাল এলাকা থেকে মাইক্রোবাসে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাকলিয়াস্থ সরকারী কমার্শিয়াল ইনষ্টিউটিট (বর্তমানে বাকলিয়া সরকারী কলেজ) যাচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল দলীয় কর্মসূচিতে যোগদান করা। গাড়ীটি বহদ্দারহাট পুকুরপাড় এলাকায় আসলে আরেকটি মাইক্রোবাস তাদের সামনে এসে গতিরোধ করে। গতিরোধ করার মূর্হূতের মধ্যেই জামাত শিবিরের চিহ্নিত ক্যাডাররা ব্রাসফায়ার শুরু করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের গাড়ীর উপর। এ সময় একে একে গাড়ীর ভিতরেই মৃত্যুর সাথে লুটিয়ে পড়ে ৮ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী। তারা যথাক্রমে কমার্শিয়াল ইনষ্টিটিউট (পলিটেকনিক্যাল এলাকাস্থ) ছাত্র সংসদের ভিপি হাসিবুর রহমান হেলাল, রফিকুল ইসলাম সোহাগ, আমিনুল হক বাবু, আবুল কাসেম, জাহাঙ্গীর আলম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মনু মিয়া, জাহেদুল ইসলামকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়। আজকের এই দিনে তাদের স্মরণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে সকালে কালো ব্যাচ ধারন, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কালো ব্যাচ ধারন ও শোক র‌্যালি এবং বাদে জোহর কদম মোবারক মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে বায়েজিদ বোস্তামীস্থ কবরস্থানে শহীদের কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও নগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর সাবেক ছাত্রনেতা নাজমুল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক আবদুল আল মামুন, ইয়াছির আরাফাত, ফয়সাল বাপ্পী, মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মিথুন মল্লিক, রেজাউল আলম রনি, রোকন উদ্দিন রানা, মহিউদ্দিন মাহি, সরওয়ার আলম, মো. শাকিল, মো. কাইছার উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদ রাসেল, মঈনুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মঈন শাহরিয়ার, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ইমরান আলী মাসুদ, রাশেদুল ইসলাম, হুমায়ন কবির, ওমর ফারুক সুমন, ফাহাদ আনিছ ও অভি চৌধুরী প্রমুখ।

মতামত...