,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

‘জয় বাংলা’ শ্লোগানই দেশের সেবা করতে উদ্দীপ্ত করে জয়কে

hasina jayনিজস্ব প্রতিবেদক ,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম,ঢাকাবঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ‘নিজের ভাগ্য নিজেই দেখবে’ বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার বিকেলে ১০ম জাতীয় সংসদের ৯ম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য ফখরুল ইমামের (ময়মনসিংহ-৮) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার অর্থনীতিতে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। দেশের উন্নয়নের ৯০ ভাগ নিজস্ব অর্থায়নে হচ্ছে। সম্প্রতি নিউইয়র্কভিত্তিক আর্থিক তথ্য প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ব্লুমবার্গের পূর্বাভাস অনুযায়ীও চলতি বছরে (২০১৬ সালের মধ্যে) বাংলাদেশ হবে বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির দেশ। বছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৬ শতাংশ। এ বিষয়ে জয়কে ভাবতে হবে না। তার পথ সে নিজেই তৈরি করবে।’

সম্পূরক প্রশ্নে ফখরুল ইমাম বলেন, ‘বলা যায়, ‘জয় বাংলা’ দুটি শব্দ মাত্র। ‘প্রথম’ শব্দটি নিয়ে আপনি কী চিন্তা ভাবনা করছেন? পাশাপাশি পুরুষের অধিকার নিয়ে উনি কী চিন্তাভাবনা করছেন?’ প্রশ্নকর্তার এসব প্রশ্ন শুনে অধিবেশনের সভাপতি স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্ন তো সম্পূরক নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওনার ঘরে ওনি যে ওনার বউকে এত ভয় পান এটা আমরা জানতাম না। তবে ভাগ্য ভাল ওনি ওনার ঘরে পুলিশি পাহারার কথা বলেন নাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীকে আসলে কেউ বদলাতে পারে না। জীবন বদলাতে পারে। ঘরে আপনি চ্যানেল বদলাতে পারেন না। এটা তো সমঝোতা করে নেয়া যায়, কে কখন কতটুকু সময় টেলিভিশন দেখবেন। যিনি আপনার ঘরের কর্তী তার সাথে বসে একটা সমঝোতা করে নেন। যাতে চ্যানেল বদলানো নিয়ে কোনো সংঘাত না হয়।

তিনি আরো বলেন, ‘আমার মতে ‘জয়’ একটি শব্দ, ‘বাংলা’ আরেকটি শব্দ। দুটো মিলেই কিন্তু ‘জয় বাংলা’। জয় বাংলা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান। জয় বাংলা এবং জয় বঙ্গবন্ধু শ্লোগান দিয়েই আমরা বাংলাদেশ স্বাধীন করেছি। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটাই ছিল আমাদের কাছে সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী শ্লোগান। কাজেই এই শব্দটাকে ভাগ করার উপায় নেই। তবে আমি জানি না মাননীয় স্পীকার, ওনি কী বলতে চেয়েছেন।’

”ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া শিখিয়েছি। তাদেরকে একটি কথাও বলেছি। তোমাদের কোনো সম্পদ দিতে পারবো না। তোমাদের একটি বড় সম্পদ যত পারো শিক্ষা গ্রহণ করো। ওটাই তোমাদের জীবন-জীবিকা তৈরি করে দেবে। আর তাদের জীবনের ভবিষ্যৎ তারা নিজেরাই ঠিক করবে। এ দায়িত্ব তাদের নিজেদের উপরেই ছেড়ে দিয়েছি” বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জয় ভবিষ্যতে কী করবে এটা সম্পূর্ণ তার উপর নির্ভর করছে। সে কিন্তু আমাদের সহযোগিতা করছে। সে কিন্তু জনগণকে সেবা ও সাহায্য করছে। কিন্তু কোনোকিছু পাওয়ার আশা বা নিয়ে যেত নয়। সে যতটুকু পারছে দিচ্ছে। ‘জয় বাংলা’ শ্লোগানের প্রেরণাই দেশের সেবা করতে তাকে উদ্দীপ্ত করছে। আর তার পথ সে নিজে দেখবে।

 

বি এন আর/০০১৬০০২০২৪/০০০১৫০/এন

 

মতামত...