,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

টুঙ্গিপাড়ায় রেস্ট হাউস বানাবেন মহিউদ্দিন চৌধুরী

Mu chy-20-400x225নিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে জেয়ারত করতে আসা লোকজনের সুবিধায় রেস্ট হাউস বানানোর চিন্তা করছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ সভাপতি, সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীতে ২৬ বছর ধরে টুঙ্গিপাড়ায় বড় পরিসরে মেজবানের আয়োজনকার বর্ষিয়ান এই নেতা বলেন, ‘টুঙ্গিপাড়ায় থাকার কোনো ব্যবস্থা  নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা লোকজনের থাকার কষ্ট হয়। রেস্ট হাউস নির্মাণের কথা ভাবছি। ’
বুধবার নগরীর জিইসি মোড়ে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসে এই পরিকল্পনার কথা জানান মহিউদ্দিন চৌধুরী।
২৬ বছর ধরে টুঙ্গিপাড়ায় কেন মেজবান করছেন এই প্রশ্নে মহিউদ্দিন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা, তার মাজারে গিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করি, ফাতেহা পড়াই, মেজবান খাওয়াই। ওখানকার (টুঙ্গিপাড়া) মানুষ তো দেওবন্দী। তারা ফাতেহা বিশ্বাস করে না। আমি বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ছিলাম। তাই তার মাজারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানানো ও ফাতেহা দেওয়াটা নৈতিক দায়িত্ব মনে করি।’

১৯৯০ সাল থেকে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্য কয়েকটি গরু জবাই করে হাজারো মানুষের জন্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন করে আসছেন। এর আগে তিনি বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পর টুঙ্গিপাড়ায় ছোট পরিসরে মেজবানের আয়োজন করতেন।  এবার ৩০ হাজার লোকের জন্য মেজবানের আয়োজন করা হচ্ছে। বলে জানা গেছে। এরমধ্যে এক হাজার সনাতন ধর্মাবলম্বী লোকদের জন্য পৃথক আয়োজনের ব্যবস্থা করা করেছে।

বঙ্গবন্ধু কলেজ মাঠের এই মেজবানে দূর-দূরান্তের হাজারো মানুষের ঢল নামে। মহিউদ্দিন চৌধুরী টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে নিজেই এই মেজবানের তদারকি করেন। অতিথিদের নিজেই আপ্যায়ন করেন। নিজ হাতে অতিথিদের পাতে পাতে মেজবানের মাংস তুলে দেন। এবারও টুঙ্গিপাড়ায় ছুটে যাবেন তিনি। আগামী রোববার সকালে তিনি নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে তিনি  বলেন, ‘আমি তখন বঙ্গবন্ধুর সাথে কোথাও গেলে তাঁর মাথা ব্যথা করলে মাথা টিপে দিতাম, হাত-পা টিপে দিতাম। সেই অনুভূতি আমি এখনও ভুলতে পারি না। আমি নামের জন্য করি না। টাকার চেয়ে মানুষের মুখে খাবার তুলে দিতে পারাটা বড় জিনিস। ওখানকার মানুষদের আমি খাইয়ে সন’ষ্ট করি।’

 আপনার মতো বঙ্গবন্ধুর একনিষ্ঠকর্মী তো অনেকে ছিলেন। তারা তো এমন আয়োজন করছেন না -এমন প্রশ্নের উত্তরে একাত্তরের এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর কাছে তো কেউ নেই। তাই আমি আমার নৈতিক দায়িত্ব থেকে করছি।’
চট্টগ্রামে আওয়ামী লীগের অনেক বিত্তশালী নেতা আছেন। তারাও তো কেউ এমন আয়োজন করছেন না -এর প্রশ্নের জবাবে মহিউদ্দিন উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘তারা হয়তো গোপনে করছে। আমি তো অনেককে নেতা বানিয়েছি। আর কত? আমি তো শিল্পপতি না, আমার কোনো ইন্ডাস্ট্রিও নেই। আমার যতটুকু সামর্থ্য আছে করছি।’

 

মতামত...