,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

টেকনাফে ১২ কোটি টাকার ইয়াবাসহ ১৯ আটক

 

aটেকনাফ সংবাদ দাতা,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম, টেকনাফঃ  রোহিঙ্গাসহ ১৯ মাদকপাচারকারী ৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ ধরা পড়েছে শীর্ষ ইয়াবা পাচারকারী সামশুল আলম কালা। টেকনাফে কোস্টগার্ড সদস্যরা সেন্টমার্টিন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বৃহস্পতিবার  এক অভিযান চালিয়ে ৪ লাখ পিস ইয়াবা ও ২টি ট্রলারসহ এদের আটক করা হয়।  কোস্টগার্ড সদস্যরা শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের ৫ নটিক্যাল মাইল অদূরে এ অভিযানে আটক পাচারকারীরা টেকনাফের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা বলে জানায় কোস্টগার্ড।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইয়াবাসহ ধৃত পাচারকারীদের ট্রলারযোগে টেকনাফ কোস্টগার্ড স্টেশনে নিয়ে আসা হয়। অভিযান পরিচালনাকারী কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার লে ডিকসন চৌধুরী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাগরে অভিযান চালানো হয়। এসময় মিয়ানমারের দিক থেকে দুটি ট্রলার বাংলাদেশ সীমানায় আসলে তাদের থামানো সংকেত দিলে মিয়ানমারের দিকে পালানো চেষ্টা করলে কোস্টগার্ড জওয়ানরা ট্রলার দুটি  ধাওয়া করে জব্দ করেএবং  ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ৪ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ইয়াবার মূল্য ১২ কোটি টাকা। এসময় ১৯ পাচারকারিকে মাদক পাচারের দায়ে আটক করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, সাগরপথে ইয়াবা পাচার বৃদ্ধির খবরে কোস্টগার্ড নজরদারি বৃদ্ধি করেছে। সাগর পথে যে কোন মাদক কিংবা অপরাধ দমনে কোস্টগার্ড সদা তৎপর রয়েছে। আটককৃত পাচারকারীরা হচ্ছে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ লেঙ্গুরবিল এলাকার আমির হামজার ছেলে সামশুল আলম কালা (৩৫), লম্বরি গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ইলিয়াছ (২৫), লেঙ্গুরবিলের জাহিদ হোসেনের ছেলে আজিুল (২২), নুর হোসেনের ছেলে মকবুল (২৫), আবুল হোসেনের ছেলে অছি উল্লাহ (২২), জাকির আহমদের ছেলে জাহিদ হোসেন (৩০), লম্বরি আবদুর রহিমের ছেলে ফজলুর কবির (২৭), সাবরাংয়ের আলী আহমদের ছেলে ইমাম হোসেন (৩৫), লেঙ্গুরবিলের নবী হোছনের ছেলে রুবেল (২৫), আবদুল মালেকের ছেলে আনোয়ার হোসেন (২৪), মৌলভী পাড়ার আবদুল সালামের ছেলে নুর আলম (২৫), দক্ষিণ লম্বরির নুরুল হকের ছেলে খাইরুল আমিন (২২), আবদুল সালামের ছেলে জিয়াউর রহমান (২২) ও আবদুল হাকিমের ছেলে রফিক (১৬), তৈয়ব হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ (১৮), আবদুল মোনাফের ছেলে আয়ুব আলী (২৪), জাহাঙ্গীর আলম (৩২), আবদুর রাজ্জাকের ছেলে রুবেল (১৮) ও রাশেদুল হক (২৬)।

ইয়াবাসহ আটক সামশুল আলম কালা জানান, সাবরাং এলাকার জনৈক ইসলাম এসব ইয়াবার মালিক। সে ট্রলার যোগে সাগর থেকে ইয়াবাগুলো টেকনাফ সদরে পরিবহন করছিলো মাত্র। এদিকে ধৃতদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করে মামলা রুজু করা হয় বলে জানান কোস্টগার্ড সেন্টমার্টিন স্টেশন কমান্ডার ডিকসন চৌধুরী।

অনুসন্ধানে প্রকাশ,   টেকনাফ  উপকুলীয় এলাকায় ৩০/৩৫  জনের একটি নতুন ইয়াবা সিন্ডিকেট  সস্ত্র মহড়া দিয়ে ফিশিং বোটের মাধ্যমে ইয়াবা উঠা নামা করে কয়েকটি ঘাট দিয়ে।  তাম্মধ্যে ১নং ওয়ার্ডের হাবিরছড়া, রাজার ছড়া,মিঠাপানিরছড়া, দরগারছড়া ঘাট, ২নং ওয়ার্ডের লম্বরী, পর্যটন ঘাট, ৩ নং ওয়ার্ডেও তুলা তুলি, ৫ নং ওয়ার্ডের মহেশ খালিয়া পাড়া,কোনখার পাড়া ঘাট ও সাবরাং বাহারছড়া ঘাট দিয়ে দিয়ে দৈনিক বস্তা ভর্তি অর্ধ কোটি পিচ ইয়াবা প্রবেশ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে । প্রশাসনের টহল দল না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইয়াবা পাচারকারীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে ।

উল্লেখ্যঃ আটককৃতদের মধ্যে ৬জন রোহিঙ্গা নাগরিক হলেও বিবাহ করেছে টেকনাফের স্থানীয় মেয়ে। তারা উত্তর লম্বরী ও লেঙ্গুর বিল এলাকার কয়েকজন জেলের সহযোগিতায় এলাকায় আস্তানা গড়ে তুলেছে।

 

 

বি এন আর।০০১৬০০২০০২৫/০০১৬২/ এন

মতামত...