,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

টেকনাফ আনসার ক্যাম্পের অস্ত্র লুটের হোতা রোহিঙ্গা ডাকাত আলম গ্রেপ্তার

টেকনাফ সংবাদদাতা, ১ মার্চ,বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: টেকনাফ নয়া পাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পের আনসার ব্যারাকের অস্ত্র লুট ও আনসার কমান্ডার (পিসি) আলী হোসেন হত্যাকাণ্ডের ‘আরেক হোতা’ রোহিঙ্গা ডাকাত নুর আলমকে আটক করেছে র‌্যাব-৭।

 মঙ্গলবার ৮ টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৭ কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আশেকুর রহমান জানান, আনসারের অস্ত্র লুটের আরেক হোতা রোহিঙ্গা ডাকাত নুর আলমকে আটক করে গহিন অরণ্যে লুট হওয়া অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জানা যায়, সন্ত্রাসী নুর আলমসহ ২০/২৫ জনের সন্ত্রাসী গ্রুপ ২০১৬ সালের ১৩ মে ভোর ২ টার দিকে টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পে হামলা চালায়। লুট করে ১১টি অস্ত্র ও ৬৭০ রাউণ্ড গুলি। এতে বাধা দেওয়ায় খুন করে আনসার পিসি আবুল হোসেনকেও। ওই সময় এঘটনায় আটক নুরুল আবছার আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন। সেখানে উল্লেখ করেন আরএসও নেতা পাকিস্তানী নাগরিক ওমর ফারুকের নেতৃত্বে এ হামলা হয়েছিলো। এবং লুণ্ঠিত অস্ত্র গুলো মিয়ানমারে নিয়ে যাওয়া হয় বলেও উল্লেখ করে নুরুল আবছার। পরে ৯ জানুয়ারি সোমবার রাতে ও ১০ জানুয়ারি মঙ্গলবার ভোরে আনসারের লুণ্ঠিত ৫টি সহ ১০টি অস্ত্র ও ১৮৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে র‌্যাব। এর আগে ৯ জানুয়ারি রবিবার রাতে আটক হয় ওই ঘটনার অন্যতম নায়ক কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের র্শীষ সন্ত্রাসী খাইরুল আমিন (বড়), মাস্টার আবুল কালাম আজাদ ও মোহাম্মদ হাসান আহমদ। সোমবার রাতে ও মঙ্গলবার ভোরে কক্সবাজারের কুতুপালং ও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা তুমব্রু গহিন অরণ্যে অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, সোমবার রাত ১০টার দিকে কুতুপালং এলাকা থেকে একটি পিস্তল ও একটি ওয়ান স্যুটার গান এবং ২৬ রাউণ্ড গুলিসহ ৩ রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী খাইরুল আমিন (বড়), মাস্টার আবুল কালাম আজাদ ও মোহাম্মদ হাসান আহমদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। এক পর্যায়ে নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু পাহাড়ি এলাকার একটি গর্ত হতে দুটি ড্রামের ভিতর হতে উল্লেখিত আনসারের লুণ্ঠিত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া উদ্ধার করার হয় তাদের ব্যবহৃত ৩ টি দেশীয় তেরী বন্দুক। এরপর র‌্যাব-৭ সদস্যরা মরিয়া হয়ে উঠে লুণ্ঠিত আরো ৬টি অস্ত্র ও ৪৮১ রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করতে। অবশেষে এ ঘটনার ‘আরেক হোতা’ নুর আলম আটক হওয়ায় ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে লুণ্ঠিত বাকী অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারে অভিযানে নেমেছে র‌্যাব-৭।

মতামত...