,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ট্যাক্স ইস্যু নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার সম্ভব হবেনা: মেয়র

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::আপিল আবেদনে সর্বোচ্চ ছাড় দেয়া হচ্ছে। আপিল নিষ্পত্তিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন এমন একজন হোল্ডাররাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবুও যারা ট্যাক্স ইস্যু নিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে তাদের য় সকলের কাছে পরিস্কার। যারা আপিল আবেদন করবেন না বা ট্যাক্স প্রদান থেকে বিরত থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে সরকারি ট্যাক্স আইনের ধারায় ক্রোকি পরোয়ানার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হতে পারে। চলমান গৃহকর ইস্যু নিয়ে গতকাল সোমবার নগর বাইশ মহল্লা সর্দার কমিটি নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন।

সিটি মেয়র বলেন, আপিল আবেদনের নির্ধারিত সময় আরো এক মাস বাড়ানোর ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্বের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্মানিত হোল্ডারদের সর্বোচ্চ ছাড় (গড়ে প্রায় ৭১ শতাংশ) দিয়ে ট্যাক্স চূড়ান্ত ধার্য করা হচ্ছে। আপিলের জন্য আবেদনকৃত সময় নির্ধারিত হলে আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় পাবেন। এর মধ্যে হোল্ডারদের কোন অভিযোগ আপত্তি থাকলে তারা আপিল করবেন। আর যারা আপিল আবেদন করবেন না বা ট্যাক্স প্রদান থেকে বিরত থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে সরকারি ট্যাক্স আইনের ধারায় ক্রোকি পরোয়ানার সিদ্ধান্তও গ্রহণ করা হতে পারে। সিটি কর্পোরেশনের সেবা সক্ষমতা বাড়াতে হলে জনগণকে অবশ্যই কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সহযোগিতা করতে হবে। আমরা গরীব, অসহায়, যাদের সন্তান লেখাপড়া করছে তাদের ব্যাপারে ছাড় দেয়া ছাড়াও ক্ষেত্রবিশেষে শতভাগ মওকুফ পর্যন্ত করা হচ্ছে।

সিটি মেয়র বলেন, বিশ্বমানের দৃষ্টিনন্দন নগর গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। চট্টগ্রামকে বিউটিফিকেশনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং ডোর–টু–ডোর বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকা–ে সকল শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধিদের মতামতের প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শতভাগ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উপর ভিত্তি করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

সভায় প্রতিটি সার্কেলভিত্তিক রিভিউ বোর্ডে একজন করে মোট ৮ জন বাইশ মহল্লা প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্তকরণের বিষয়টি আলোচিত হয়। মত বিনিময়ে নগর বাইশ মহল্লা সর্দার নেতৃবৃন্দ সিটি কর্পোরেশনকে নিরবচ্ছিন্ন সহায়তা প্রদানের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। নেতৃবৃন্দ মেয়রের কাছে ট্যাক্স চূড়ান্ত ধার্যকরণের ব্যাপারে ‘যত ছাড় দেয়া সম্ভব তত ধার্য ‘করার ব্যাপারে দাবি উত্থাপন করেন।

সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, নগরীর কমপক্ষে ৫০ শতাংশ হোল্ডিং মালিক ট্যাক্স প্রদান করেন না। কখনো ট্যাক্স দিয়েছেন কিনা তারা বলতে পারবেন না। তবে নেতৃবৃন্দ ট্যাক্স এসেসমেন্ট ভ্যালুয়েশন নিয়ে অভিযোগ উত্থাপন করেছেন।

মতবিনিময় সভায় নগর বাইশমহল্লা সর্দার কমিটির সভাপতি মো. ইউসুফ সর্দার, সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আহমদ সর্দার, সহ সভাপতি আবু মোহাম্মদ মুছা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আলী বক্স, মো. তারেক, সহ সাধারণ সম্পাদক সালাহ উদ্দিন ইবনে আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ মো. নুরুল হক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাজী শওকত আলী, অর্থ সম্পাদক মো. সাহাব উদ্দিন, জাতীয় শ্রমিক লীগ যুগ্ম সম্পাদক শফর আলী, জামালখান ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমসহ নগর বাইশ মহল্লার সর্দার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মতামত...