,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু, ৩৫ শতাংশ টিকিট কোটার ফাঁদে

aনিজস্ব প্রতিবেদক বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ বাংলাদেশ রেলওয়ে আজ বুধবার ২২ জুন থেকে ঘরমুখী যাত্রীদের জন্য অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে। ১ জুলাইয়ের যাত্রার টিকিট ঢাকার কমলাপুর ও চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে সকাল ৮টায় বিক্রি শুরু হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, টিকিট বিক্রির সকল প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২ জুলাই যাত্রার টিকিট ২৩ জুন, ৩ জুলাই যাত্রার টিকেট ২৪ জুন, ৪ জুলাই যাত্রার টিকিট ২৫ জুন এবং ৫ জুলাই যাত্রার টিকিট ২৬ জুন বিক্রি করা হবে। একজন যাত্রীকে সর্বাধিক ৪টি টিকিট দেওয়া হবে এবং বিক্রিত টিকিট ফেরত নেয়া হবে না।

ঈদ-ফেরত যাত্রীদের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, দিনাজপুর ও লালমনিরহাট স্টেশন থেকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় আগামী ৪ জুলাই থেকে টিকিট বিক্রি শুরু করবে।

ট্রেনের টিকিটে এবারো কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে। ই-টিকিটে ২৫ ভাগ, ভিআইপি ৫ এবং রেলওয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী জন্য শতকরা ৫ ভাগ টিকিট রাখা রয়েছে।

আইন মেনেই টিকিটের এ কোটা রাখা হয়েছে বলে কর্মকর্তারা বলছেন। তবে বাস্তবে এ কোটা আরো বৃদ্ধি পায় বলে স্টেশনের একটি সূত্র বলছে।

 জানা গেছে, ঈদের সময় মন্ত্রী, সাংসদ, বিচারপতি, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য টিকিট রাখতে হয়। স্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও পদাধিকার বলে টিকিটের এ সুবিধা পান। আর অনলাইনের জন্য এবার শতকরা ২৫ ভাগ টিকিট রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে গেলে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে।

তবে বাস্তবে এই কোটার নামে অগণিত টিকিট যায়। এই সময় স্টেশন ম্যানেজার থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রভাবশালীদের তদবিরে টিকিট দিতে বাধ্য হন। আবার অনলাইনে টিকিট বিক্রির নামে রেলের এক শ্রেণির কর্মকর্তা টিকিট আটকে রেখে বাড়তি দাম নিয়ে কালোবাজারিদের কাছে বিক্রি করে দেন। এ কারণে অনেকেই এই ব্যবস্থায় টিকিট কিনতে পারেন না। কোটার কারণে সাধারণ যাত্রীরা লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক সময় টিকিট পান না।

তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে স্টেশন ম্যানেজার বলেন, রেলের আইন মেনেই এই কোটা ব্যবস্থা রাখা হয়। এটিতো নতুন নয়। আবার সবাইকে তো টিকিট দেওয়াও যাবে না। কেননা ট্রেনের স্বল্পতা আছে। কোনো ধরনের তদবির রাখা হচ্ছে না বলে এক প্রশ্নে তিনি দাবি করেন।

 

মতামত...