,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ঠাকুরগাঁও শহরে ব্যঙের ছাতার বেপরোয়া কোচিং ব্যবসা

ইমন রায়, ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজঃ ঠাকুরগাঁও শহরের প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ব্যঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে বহু কোচিং সেন্টার৷ অনুসন্ধানে জানা যায় শহরের হাজীপাড়া, আশ্রম পাড়া, হল পাড়া, ঘোষ পাড়া, সরকার পাড়া সহ প্রায় প্রতিটি মহল্লায় রয়েছে একাধিক কোচিং সেন্টার৷ প্লে থেকে শুরু করে একাদশ শ্রেনী পর্যন্ত ছাত্র্র্র-ছাত্রীরা আসেন এসব কোচিং সেন্টারে৷ নানা রকম মুখরোচক ইংরেজী নাম ব্যবহার করে ও এ প্লাস পাইয়ে দেবার নিশ্চয়তা প্রদান করে অবিভাবক দের আকৃষ্ট করা হয়৷ এসব কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও পাঠদান পদ্ধতি নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন থাকলেও অনায়াসে শিক্ষার নামে তারা এই বানিয্য চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থী ও অবিভাবকদের অকৃষ্ট করার জন্য মাঝে মাঝে তারা শহরের নামী শিক্ষকদের নাম ব্যবহার করে৷ নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহরের আশ্রম পাড়ায় অবস্থানরত একটি প্রতিষ্ঠিত কোচিং সেন্টারের একজন শিক্ষক বলেন অবিভাবকদের বোঝানোর জন্য তারা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক জন শিক্ষকের নাম ব্যবহার করেন, এর বিনিময়ে ঐ শিক্ষক কে প্রতি মাসে মোটা অংকের টাকা দিতে হয়৷ এছাড়া কোচিং নেওয়া শিক্ষার্থীদের অবিভাবকগন এর সাথে কথা বলে জানা যায় তাদের সন্তানদের কোচিং না করালে তারা অন্যদের থেকে পিছিয়ে পড়বে তাছাড়া কিছু স্কুল শিক্ষকরাও শিক্ষার্থীদের কোচিং নিতে উৎসাহিত করেন তাই এক প্রকার বাধ্য হয়ে অবিভাবকরা তাদের সন্তানদের কোচিংয়ে পাঠান৷ এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও শহরের শিক্ষাবিদদের সাথে কথা বললে তারা জানান এসব কোচিং সেন্টার গুলো শিক্ষার নামে অবাধে বানিয্য চালিয়ে যাচ্ছে। দুশো টাকা থেকে শুরু করে নাম ভেদে একহাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে এক এক জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অথচ বিনিময়ে তাদের কোন লাভ হচ্ছে না বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর আরো বোঝা চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে৷ এই সমস্যা থেকে প্রতিকার পেতে তারা নিয়মিত স্কুলে গিয়ে সঠিক শিক্ষা গ্রহন ও অবিভাবকদের সচেতনতার ওপর জোর দেন এবং যত্রতত্র গজিয়ে ওঠা এসব অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানের ওপর য্থাযথ কতৃপক্ষের জোর নজরদারীর সুপরিশ করেন।

মতামত...