,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন করলেনঃ মেয়র

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীনের ক্লিন ও গ্রিন সিটির ভিশন বাস্তবায়নের লক্ষে নগরীকে পরিবেশ বান্ধব পরিচ্ছন্ন সবুজ নগরী গড়ার কর্ম পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হতে চলেছে। ডিসেম্বর-১৬  মধ্যে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সম্পন্ন হবে। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রথম ধাপে নগরীর ৭,৮,১৫,২২,২৩,৩১ ও ৩৬ নং ওয়ার্ডে ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন হলো ১ আগষ্ট সোমবার, বিকেলে নগরীর ৩৬ নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডের বারিক মিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ৩৬ নং ওয়ার্ডের ঘর-বাড়ী, দোকান-পাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ সর্বত্র বিতরনের জন্য বিন প্রদান করেন। তিনি ২ জন গৃহকর্ত্রীর হাতে বিন তুলে দিয়ে এ কর্মসুচি উদ্বোধন করেন। পরে আবর্জনা সংগ্রহ ও পরিবহনের জন্য ৩৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও চট্টগ্রাম চেম্বার পরিচালক মোহাম্মদ হাবিবুল হক ০৯ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ক্রয়কৃত একটি পিকআপ সিটি মেয়রকে উপহার দেন। কাউন্সিলর গাড়ীর চাবি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর হাতে তুলে দিয়ে গাড়ী হস্তান্তর করেন।ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মসুচির শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ৩৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হাবিবুল হক। সুধি সমাবেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি শৈবাল দাশ সুমন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ajনাজমুল হক ডিউক, ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষন বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছালেহ আহমদ চৌধুরী, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইসমাইল, ৩০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী, ৩৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. জিয়াউল হক সুমন, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফেরদৌসী আকবর ও আফরোজা কালাম, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ শফিকুল মন্নান ছিদ্দিকী, সাবেক কমিশনার নুরুল আলম, মহানগর আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব জহুর আহমদ, ৩৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি সুলতান আহমদ, বতর্মান সভাপতি সুলতান আহমদ, সাধারন সম্পাদক সাইফুল আলম চৌধুরী সহ স্থানীয় আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিন ও ভ্যানগাড়ী হস্তান্তর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, পরিকল্পিত বিশ্বমানের নগর গড়া এবং ক্লিন ও গ্রিন সিটির ভিশন বাস্তবায়ন করার অঙ্গিকার থেকেই ডোর টু ডোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শুরু করা হলো। তিনি বলেন, আপনার আমার পরিবেশ সুরক্ষা, পরিবেশ বান্ধব স্বাস্থ্যকর নিরাপদ নগরীর লক্ষে রাতে বর্জ্য অপসারন সহ ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারন কর্মসুচি গ্রহণ করা হয়েছে। মেয়র পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার প্রত্যয়ে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ-গোত্র-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সর্বশ্রেনী ও পেশার নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয়কৃত বিনগুলো বিনামূল্যে ঘরে ঘরে পৌছে দেয়ার পরই বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারনের উদ্যোগ নেয়া হবে। আগষ্ট মাসের মধ্যে ৭টি ওয়ার্ডে এ কর্মসুচি সম্পন্ন করে অন্যান্য ওয়ার্ডে এ কর্মসুচি সম্প্রসারিত হবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরবাসী’র অধিকার বাস্তবায়নে ত্রি-বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। ২০১৬ সনের মধ্যে ৪১ টি ওয়ার্ডে ডোর টু ডোর বর্জ্য অপসারন কর্মসুচি, ২০১৭ সনের মধ্যে গ্রিন সিটি বাস্তবায়ন কর্মসুচি, ২০১৮ সনের মধ্যে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে এল ই ডি লাইটিং কর্মসুচি, ২০১৯ সনের মধ্যে সকল সড়ক ও বাই লেইন টেকসই উন্নয়ন কর্মসুচি বাস্তবায়িত হবে। সিটি মেয়র বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। জলাবদ্ধতা প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ঠ। জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মদুনাঘাট থেকে পতেঙ্গা নেভাল একাডেমী পর্যন্ত বেড়ী বাঁধ, ৪ লেইন রাস্তা, বন্যা নিয়ন্ত্রন দেয়াল, ২৬ টি খালের মুখে স্ল্যুইচ গেইট নির্মান, পাম্প হাউস স্থাপন এবং ২৬ টি খাল ড্রেজিং করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। সিটি মেয়র বলেন, প্রাচ্যের রানী চট্টগ্রামকে ব্যবসা-শিল্প ও পর্যটক বান্ধব বিশ্বমানের নগরীতে উন্নিত করে নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি তাঁর লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

মতামত...