,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ঢাকায় তথ্য প্রযুক্তিবিদ জোহা নিখোঁজ

joha -wনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ডলার চুরির ঘটনায় তদন্তে যুক্ত তথ্যপ্রযুক্তিবিদ তানভির হাসান জোহা বুধবার রাত থেকেই নিখোঁজ। পরিবারের সদস্যরা তাকে  অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বলেন, এ ব্যাপারে কয়েকটি থানায় গিয়েও জিডি করা যায়নি বলে অভিযোগ তাদের।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন,  জোহা নিখোঁজ হয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই।

জোহার স্ত্রী কামরুন নাহার বলেন, বুধবার দিবাগত রাত ১২টার পর  থেকেই   প্রযুক্তিবিদ তানভীর হাসান জোহা নিখোঁজ রয়েছেন।  কাজ শেষ করে কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসায় ফিরবেন বলে জানালেও  তিনি  কিন্তু  আর বাসায় ফেরেননি। এরপর থেকেই বিভিন্ন থানা ও হাসপাতালে খোঁজ নিতে শুরু করি আমরা।

জোহার স্বজনরা জানা যায়, বুধবার (১৬ মার্চ) অফিস থেকে বাসায় ফেরার সময় রাত ১২টার দিকে স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা হয় তার। ওই সময় জোহার সঙ্গে থাকা তার বন্ধু ইয়ামিনের বরাত দিয়ে পরিবারের সদস্যরা জানান, অফিস থেকে বের হওয়ার পর সিএনজিতে ওঠেন জোহা। কচুক্ষেত এলাকায় দুই-তিনটি গাড়ি তার সিএনজিকে ঘিরে ধরে। এরপরই অপহৃত হন তিনি।

জোহার চাচা মাহবুবুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশকে জানাতে কলাবাগান থানায় গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু অপহরণের এলাকা কাফরুল থানা এলাকায় হওয়ায় ফিরিয়ে দিয়েছে কলাবাগান থানা পুলিশ। কাফরুল থানায় গিয়েও ফিরে আসতে হয় তাদের। কাফরুল থানা পুলিশের কথা মতো ক্যান্টনমেন্ট থানায় যান তারা। সেখান থেকে আবার ভাসানটেক থানায়। এভাবে কয়েকটি থানায় ঘুরে হতাশ হয়ে বাসায় ফিরেছেন তারা।

উল্লেখ্য তানভির হাসান জোহা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের সাইবার নিরাপত্তা বিভাগের ডিরেক্টর (অপারেশন)। তবে এই প্রকল্পটি গত দু’মাস ধরে স্থগিত আছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিভার্জ থেকে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ডলার সরিয়ে নেয়ার ঘটনায় তদন্তের কাজে তাকে সদস্য করা  হয়।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে কথা হলে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (অর্গানাইজড ক্রাইম) মির্জা আব্দুল্লাহেল বাকী  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা অবগত ছিলাম না। মিডিয়ার মাধ্যমেই জানলাম। তবে এইটুকু বলতে পারি যে, সিআইডি এখনো এ ঘটনায় (বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি) কাউকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেনি।

তিনি বলেন, ‘সিআইডি এখন শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাক অফিসের দুর্বলতা এবং কর্মকর্তাদের গতিবিধি নজরদারি করছে। কাউকে যদি সন্দেহভাজন মনে হয় সে ক্ষেত্রে তাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মামলাটি অফিসিয়াল সিস্টেমে আমরা তদন্ত করছি। তবে আন-অফিসিয়ালি র‌্যাব ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছে।  তাছাড়াও বেশ কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান অর্থ চুরির তদন্তে নেমেছে।

র‌্যাব সদর দপ্তরের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক এএসপি মিজান জোহা নিখোঁজের বিষয়ে তারা অবগত নন বলে জানান।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) গণমাধ্যম শাখার ডিসি মারুফ হোসেন সর্দার বলেন,  জোহার ব্যাপারে তারা অবগত নয়।

 

 

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১৭/০০০২৭৫/এস

 

মতামত...