,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ঢাকা ও চট্টগ্রামে সিএনজি চালকদের বাড়তি ভাড়া আদায়

cng1 নিজস্ব প্রতিবেদক,  ঢাকা,০৫, ফেব্রুয়ারি (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: রাজধানী ও বানিজ্য রাজধানি চত্তগ্রামে সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালকদেরকে মিটারে ভাড়া আদায়ে বাধ্য করা যায়নি। এখনও চালকরা নানা টালবাহানায় চুক্তিতে যেতে বাধ্য করে যাত্রীদের। উপরন্তু, প্রায়ই সাধারণ মিটারের ভাড়ার তুলনায় চুক্তিভিত্তিক সিএনজিতে যাত্রীদের দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া দিতে হয়। এছাড়া কোনো চালক মিটারে যেতে রাজি হলেও বাড়তি ২০-৫০ টাকা দাবি করছেন। অটোরিকশার ভাড়া নিয়ে প্রতিদিনই রাজধানীতে চালকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় জড়াচ্ছেন যাত্রীরা। গত ১ নভেম্বর বর্ধিত ভাড়া কার্যকরের পর কয়েকদিন অটোরিকশা চালকদেরকে নিয়ম মেনে মিটারে চলতে দেখা গেলেও অল্পদিনের মধ্যেই চালকরা আগের চেহারায় ফেরেন। নতুন নিয়মে সিএনজিচালিত অটোরিকশার প্রথম দুই কিলোমিটারের ভাড়া ২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০ টাকা করা হয়েছে। প্রথম দুই কিলোমিটারের পর প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ৭ টাকা ৬৪ পয়সা থেকে বেড়ে এখন ১২ টাকা। প্রতি মিনিট বিরতির জন্য গুণতে হবে দুই টাকা করে, আগে যা ১ টাকা ৪ পয়সা ছিল। ‘যাত্রীকল্যাণ সমিতি’ জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে রাজধানীতে অটোরিকশা ভাড়ার পরিস্থিতি যাচাইয়ে মাঠ পর্যায়ে একটি জরিপ চালায়। ঢাকার ১৯টি স্থানে ১ হাজার ৯৩টি অটোরিকশার খোঁজখবর নেওয়া হয়। এসময় ১ হাজার ১৬০ জন যাত্রীর বক্তব্যও নেওয়া হয়। তাদের জরিপ প্রতিবেদনে দেখানো হয়, শতকরা ৬২ ভাগ অটোরিকশা চুক্তিতে চলাচল করছে। আর মিটারে যেতে রাজি হলেও ২০-৪০ টাকা বখশিশ দাবি করেন ৮১ শতাংশ চালক। যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী গন্তব্যে যেতে রাজি হন না ৭৩ ভাগ চালক। রাস্তার ধারে অপেক্ষমান একজন যাত্রী হালিম বলেন, “বোঝা বেশি হওয়ায় বাসে চড়তে চাইছিলাম না। কিন্তু সিএনজিগুলো ৩০০ টাকা চায়। এটা তো আসলে অনেক বেশি।” ‘এখন মিটারে যাওয়া বাধ্যতামূলক’ এমনটি জানালে তিনি বলেন, “চুক্তিতেই যেখানে যাচ্ছেনা, সেখানে মিটারের কথা বলে কি লাভ। আমাকে তো যেতে হবে।” এ বিষয়ে বিআরটিএর এনফোর্সমেন্ট বিভাগের পরিচালক বিজয় ভূষণ পাল বলেন, “পাঁচটি ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিদিনই অভিযান চালাচ্ছে। সিএনজি অটোরিকশায় কিছু অনিয়মের অভিযোগ শোনা গেলেও তা ধীরে ধীরে কমে আসছে। “গত ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি আগারগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনিয়মের অভিযোগে ৫৪টি অটোরিকশা ডাম্পিংয়ে পাঠানো হয়েছে। ৫১ জন চালককে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।” সম্প্রতি বিআরটিএর তৎপরতা বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জানুয়ারির প্রথম ২১ দিনে আইনভঙ্গের দায়ে ৮৩২টি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, যার অধিকাংশই অটোরিকশা।”

চট্টগ্রামেও গেল কদিনে সিএন জি চালকদের  অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ  করেছেন যাত্রিরা। গেল কদিনে নগরীতে কাগজপত্র বিহিন গাড়ির বিরুদ্ধে পুলিশি ব্যবস্থার কারনে ও মিটার বাধ্যতামূলক করায় চালকরা খুশিমত ভারাআদায় করছেন বলে জানা গেছে।

 

তবে এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তাদের ভাষ্য কোনো সিএনজি মিটারে না গিয়ে অন্য কোনোভাবে যাত্রী বহন করতে চাইলে তা সঙ্গে সঙ্গে ট্রাফিক সার্জেন্টকে অবহিত করতে হবে। এতে সিএনজির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। এছাড়া যাত্রীরা ইচ্ছা করলে সরাসরি বিআরটিএতে অভিযোগ করতে পারেন। একটু কষ্ট হলেও সঠিকভাবে অভিযোগ করা সম্ভব হলে তা পরবর্তীতে যাত্রীদের ঝামেলামুক্তভাব চলাচল নিশ্চিত করবে।

মতামত...