,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ঢাকা-চট্টগ্রাম প্রস্তাবিত এক্সপ্রেসওয়েতে কক্সবাজারকে অন্ত্রভূক্তির উপর গুরুত্বারোপ

aনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম,  প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে দরিয়াপারের শহর কক্সবাজার পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বিভাগীয় কমিশনার মো. রুহুল আমীনবিভাগীয় কমিশনার বলেন, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আসা-যাওয়ার যে রাস্তা তা এখনো পর্যটকদের জন্যে ভীতিকর। বিমানে আসা-যাওয়া ব্যয়বহুল, পর্যাপ্ততাও নেই। তাই ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়েটি কক্সবাজার পর্যন্ত নিয়ে গেলে অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি সাফল্য মিলবে। শুধু পর্যটন খাত নয়, মহেশখালীর গভীর সমুদ্রবন্দর, মাতারবাড়ি এলএনজি টার্মিনাল, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, স্পেশাল ইকোনমিক জোনগুলো সুফল ভোগ করতে পারতো। সব মিলে চট্টগ্রামের সঙ্গে কক্সবাজারের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়া সময়ের দাবি।

মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ের প্রস্তাবিত অ্যালাইনমেন্ট এবং নকশা সম্পর্কিত’ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ গুরুত্ব দেন।

সভায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিদের বক্তব্যের সূত্র ধরে তিনি বলেন, মেঘনা সেতুতে দুই লেনের ক্যাপাসিটি থাকলেও বর্তমানে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। এ অবস্থায় নতুন করে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের চাপ নিতে পারবে কিনা সেটি ভেবে দেখতে হবে।

পদ্মা সেতুর উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দেশের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র যেমন থাকে তেমনি আন্তর্জাতিক চক্রান্তও থাকে। যাতে একটি দেশ, একটি অঞ্চল মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে। স্বনির্ভর হতে না পারে।

জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের জন্যে জমি অধিগ্রহণ করতে গিয়ে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। আনোয়ারায় স্পেশাল ইকোনমিক জোনের জন্যে ৫০০ একর, কর্ণফুলী টানেলের জন্য ৪০০ একর, বেটার্মিনাল, আউটার রিং রোড, ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইনের জন্যে অধিগ্রহণ, মাতারবাড়ির এলএনজি টার্মিনালের পাইপ লাইনের জন্যে অধিগ্রহণ, অক্সিজেন রাঙামাটি সড়কটি চার লেন হবে তার জন্যে অধিগ্রহণ। সিটি করপোরেশন নতুন খাল খনন করবে তার জন্যে অধিগ্রহণ। সবই অগ্রাধিকার প্রকল্প। সবাই তিন চার মাসের মধ্যে অধিগ্রহণ চায়। কিন্তু কাজটি অনেক কঠিন। প্রতিটি প্লটে গিয়ে সার্ভে করতে হয়। কিন্তু আমার পর্যাপ্ত লোকবল নেই।

জলাবদ্ধতার জন্যে নতুন খালটি জরুরি। কিন্তু কাগজপত্র তো ঠিক নেই। মেয়রকে ব্যক্তিগতভাবে আমি এ ব্যাপারে চিঠি দিয়েছি।

সভায় প্রকল্প ব্যবস্থাপক শিশির কান্তি দাউৎ, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব-উল আলম, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, বন্দর কর্তৃপক্ষ, রেলওয়েসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান-সংস্থার প্রতিনিধিরা মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বিধান চন্দ্র ধর বলেন, নকশা এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যাতে নদীর মাঝখানে পিলার দিতে না হয়। পিলারের কারণে পলি জমে, নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয় এমনকি নদীর মৃত্যু পর্যন্ত হয়। ফল হিসেবে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দেয়।

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০২৩/০০০৩৮৭/এস

মতামত...