,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

তারেকের মামলার রায় যে কোনো দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ মানিলন্ডারিং মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের রায় যেকোনো দিন দেবে হাইকোর্ট।

তারকে রহমানের খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের এবং সাজার বিরুদ্ধে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আপিল আবেদনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার রায় অপেক্ষমাণ (সিএভি) রেখেছেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেtarek r 1নের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

গত ২৫ মে দুদক ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের আপিল আবেদন দু’টির শুনানি একসঙ্গে শুরু হয়।

দুদকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

তারেক রহমান পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না। তবে মামলা দণ্ডপ্রাপ্ত গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের পক্ষে ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম শুনানিতে অংশ নেন।

অর্থপাচার মামলায় তারেক রহমানের খালাস পাওয়ার রায়ের বিরুদ্ধে দুদকের করা আপিলের পর ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি তাকে বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

এরপর মামলাটি দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কার্যতালিকায় এলে গত ১২ জানুয়ারি ফের বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

এরপর তারেক রহমানকে আত্মসমর্পণ ও আপিলের বিষয়ে অবহিত করতে গত ২০ ও ২১ জানুয়ারি দু’টি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন হাইকোর্ট বিভাগ। চার্জশিটে থাকা দুই ঠিকানায় (লন্ডন ও ঢাকা) সমনের নোটিশও পাঠিয়েছে বিচারিক আদালত।

২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর তারেক রহমানকে বেকসুর খালাস দিয়ে তার বন্ধু গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অর্থপাচার মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষজজ আদালত।

রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত।

এ রায়ের বিরুদ্ধে ওই বছরের ৫ ডিসেম্বর আপিল করে দুদক। ২০১৪ সালের ১৯ জানুয়ারি এ আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে তারেক রহমানকে বিচারিক আদালতে আত্মসমপর্ণের আদেশ দেন বিচারপতি নিজামুল হক ও বিচারপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এরপর গত ০৩ জানুয়ারি হাইকোর্টে শুনানির দিন ধার্যের আবেদন জানায় দুদক। এ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ১২ জানুয়ারি তারেকের বিরুদ্ধে সমন নোটিশ জারির আদেশ দেন।

এরপর বিভিন্ন সময়ে আদালতের আদেশে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে নোটিশ জারি করা হয়েছে।

২০০৯ সালের ২৬ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলাটি করে দুদক। এরপর ২০১০ সালের ৬ জুলাই তারেক রহমান ও গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

২০১১ সালের ০৮ আগস্ট এ মামলায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন আদালত

মতামত...