,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

তাসকিন ও সানির বলিং এ্যাকশান নিয়ে প্রশ্ন ঢাকায় প্রতিবাদ

taskinনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা, বাংলাদেশের ক্রিকেটার তাসকিন আহমদ ও আরাফাত সানির বলিং এ্যাকশান নিয়ে প্রশ্ন তোলা ও তাদের পরীক্ষা নেওয়ায়  রাজধানী ঢাকায় বিক্ষোভ করেছে সাধেরন মানুষ । তারা আ ই সিসির সিদ্ধান্ত প্রত্থাহারের দাবি জানান।

বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরামের (বোয়াফ) উদ্যোগে রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই সমাবেশ হয়।

সংগঠনের সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, গত ১২ মাস খেলার পরেও তাসকিন-সানির বোলিং অ্যাকশন নিয়ে কোনো ধরনের বিতর্ক না ওঠেনি। এখন টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ আসরের শুরুতে এই  বিতর্ক টাইগারদের মানসিকভাবে দুর্বল ও ভালো খেলা থেকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র।

আইসিসির এই সিদ্ধান্ত ‘বিতর্কিত’ এবং এতে ক্রিকেটভক্তরা হতাশ হয়েছে বলে দাবি করেন বক্তারা।

গত ৯ মার্চ ভারতের হিমাচল প্রদেশের ধর্মশালা স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচের পরদিন তাসকিন ও সানির বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আম্পায়ারদের সংশয়ের কথা জানায় আইসিসি।

আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো বোলারের অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে আইসিসি অনুমোদিত কোনো ল্যাবে অ্যাকশনের পরীক্ষা দিতে হয়। তবে আইসিসি টুর্নামেন্ট চলাকালে এই সময় সাত দিন।

সে অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে শনিবার চেন্নাইয়ে গেছেন আরাফাত সানি। রোববার ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে সোমবার সকালে তাসকিনের যাওয়ার কথা।

 

নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচের দুই আম্পায়ারের একজন, রড টাকার গত বছর ঢাকায় বাংলাদেশ-ভারত ওয়ানডে সিরিজে আম্পায়ারিং করেছিলেন। এছাড়া ওই ম্যাচের ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফটও ওই সিরিজে ছিলেন। সে সময় তাসকিন-সানি খেললেও তাদের নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।

এখন তাদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলা ষড়যন্ত্রের অংশ দাবি করে তন্ময় বলেন, “এর মধ্য দিয়ে আইসিসি তাদের যোগ্যতা ও মানসিকতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”

তাসকিন-সানির বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর থেকে অনলাইনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রতিবাদ চলছে। ভারতের পেসার জসপ্রীত বুমরাহ ও তাসকিনের বল ডেলিভারির সময়ের ছবি পাশাপাশি পোস্ট করে আইসিসির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অন্যদের মধ্যে ‘বিশ্ব বাঙালি সম্মিলন’র সভাপতি মুহাম্মাদ অবদুল খালেক, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, কাজী আরেফ ফাউন্ডেশনের সভাপতি কাজী মাসুদ আহমেদ, মো. হাবিবুল্লাহ মিজবাহ বক্তব্য দেন।

 

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১৩/০০০২০৬/পি

মতামত...