,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

থাইল্যান্ডে বৌদ্ধ মন্দিরের ফ্রিজ থেকে ৪০ বাঘের মৃত বাচ্চার উদ্ধার

aনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ থাইল্যান্ডের বিতর্কিত একটি বৌদ্ধ মন্দিরের ফ্রিজ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৪০টি বাঘের বাচ্চার মৃতদেহ। বন্যপ্রাণি পাচার নিয়ে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে জীবন্ত বাঘ বের করে আনা হচ্ছিল এই বৌদ্ধ মন্দির থেকে। মন্দিরটি পর্যটকদের কাছে বাঘ মন্দির হিসেবে পরিচিত। এই মন্দিরেরই রান্নাঘরের একটি ফ্রিজ থেকে উদ্ধার করা হয় ৪০টি বাচ্চা বাঘের দেহ।

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের পশ্চিমে কাঞ্চানাবুরি প্রদেশে অবস্থিত এই বৌদ্ধ মন্দিরটি বন্দি বাঘের সঙ্গে সেলফি তোলার জন্য পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান। তবে বন্যপ্রাণি পাচারের অভিযোগ ওঠায় এই মন্দিরের বাঘগুলোকে সরকারের অধীনে আনার চেষ্টা চলছে ২০০১ সাল থেকে। এরই অংশ হিসেবে সোমবার থেকে মন্দিরে শুরু হয়েছে অভিযান। বের করে আনা হচ্ছে জ্যান্ত সব বাঘ। এ পর্যন্ত বের করে আনা হয়েছে ৫২টি বাঘ।

aথাই বনদপ্তরের কমকর্তা অ্যাডিসর্ন নাচদামরং জানানা, বুধবার জীবিত বাঘগুলো বের করে আনার সময় মন্দিরের রান্নাঘরের একটি ফ্রিজ থেকে ৪০টি বাঘের বাচ্চার মৃতদেহও উদ্ধার করা হয়েছে। তবে কী কারণে এমনটা করা হয়েছিল সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। এ ব্যাপারে মন্দিরের বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের কোনো প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।

 বনদপ্তরের পরিচালক মুখোশ পরে ওই দেহগুলো সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেন। বাঘের বাচ্চার পাশাপাশি ‘বেয়ারক্যাট’ হিসেবে পরিচিত আরো একটি সংরক্ষিত জন্তুর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

উল্লেখ্য, বন্যপ্রাণি ও বন্য গাছগাছালি পাচারে থাইল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিযোগ অনেক পুরনো। ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধ তৈরিতে কাজে লাগানো হয় বাঘের শরীরের নানা অংশ। বিক্রি করা হয় হাতির দাঁত, স্তন্যপায়ী এমনকি অনেক সংরক্ষিত প্রাণিও। এক পশুপ্রেমী দলের মতে, ওই মন্দির জন্তু-জানোয়ারদের কাছে ছিল নরকের মতো। ২০১৫ সালে একবার ওই মন্দিরে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে শেয়াল, ভালুক ও ধনেশ পাখি সরিয়ে নিয়েছিল বন্যপ্রাণি অধিদপ্তর।

 

মতামত...