,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

দুই মন্ত্রীর বৈধতা নিয়ে রিটের শুনানি বৃহস্পতিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ  ‘শপথ ভঙ্গের’ পরও খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের স্বপদে বহাল থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটের পরবর্তী শুনানি হবে আগামী বৃহস্পতিবার।

মঙ্গলবার ৬ সেপ্টেম্বর  বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি আশীষ রঞ্জন দাসের হাইকোর্ট বেঞ্চ প্রথম দিনের শুনানি শেষে পরবর্তী শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

আদালত রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘শপথ ভঙ্গের আইনগত পরিণতি কী, তা আপনাকে জেনে আসতে হবে। আমরা যত দূর দেখেছি এ বিষয়ে সংবিধানে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা নেই।’

আদালত আরো বলেন, ‘ভারত, পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি না দেখে আসবেন।’ এ কথা বলে আদালত বৃহস্পতিবার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজ্জামেল হকের স্বপদে বহাল থাকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন।

গত ১ সেপ্টেম্বর আদালত অবমাননার দায়ে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হককে দোষী সাব্যস্ত করে ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়।

সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে দেওয়া রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, দুই মন্ত্রী আইন লঙ্ঘন এবং সংবিধান রক্ষা ও সংরক্ষণে নেওয়া শপথ ভঙ্গ করেছেন। বিচার বিভাগকে হেয় করেছেন।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতি একমত হয়েছেন। একমত পোষণকারী বিচারপতিরা হলেন- বিচারপতি মো. আব্দুল ওয়াহ্হাব মিঞ্চা, বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি ইমান আলী ও বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার।

অপরদিকে রায়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন তিনজন। তারা হলেন- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ও বিচারপতি নিজামুল হক।

গত ২৭ মার্চ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর চূড়ান্ত রায়ের আগে সর্বোচ্চ আদালতকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য দুই মন্ত্রীর নিঃশর্ত ক্ষমার আবেদন প্রত্যাখ্যান করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে আট সদস্যের আপিল বেঞ্চ ৫০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেন।

গত ৫ মার্চ ঢাকায় ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির এক গোলটেবিল বৈঠকে আলোচনায় কামরুল ও মোজাম্মেল এক সুরে প্রধান বিচারপতির সমালোচনা করেছিলেন।

এরপর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের প্রতি আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। রুলের শুনানি শেষে রায় দেওয়া হয়।

মতামত...