,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করুনঃপ্রধানমন্ত্রী

ঢাকা,০৫ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম):: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের ভিত্তিকে আরো শক্তিশালী করতে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে সকলকে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানিয়েছেন।

শনিবার ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানান তিনি।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধীদের বিচার রায় কার্যকর হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাকারীদের বিচার কাজ চলছে। কোনো ষড়যন্ত্রই আমদের সত্য ও ন্যায় এবং মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পথ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।

আগামীকাল রবিবার ৬ ডিসেম্বর ‘গণতন্ত্র মুক্তি দিবস’। ১৯৯০ সালের এই দিনে স্বৈরাচারের পতন হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দিনটিকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে এ মহান দিবসে গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী সংগ্রামী দেশবাসীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নব্বই পরবর্তী দুই দশকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অবৈধ ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারী ঘাতকেরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে অসাংবিধানিক ও অবৈধ সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করে।’

স্বৈরাচারী শাসন উৎখাত করে দীর্ঘ সংগ্রাম করেছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে আন্দোলন-সংগ্রামে দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেয়। নুর হোসেন, বাবুল, ফাত্তাহ, ডা. মিলনসহ অগণিত গণতন্ত্রকামী মানুষ আত্মাহুতি দেন।

‘স্বৈরাচারী শাসক গণআন্দোলনের কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়। শহিদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয় গণতন্ত্র। এ অর্জন ধরে রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর’, তিনি বলেন।

তিনি দেশবাসীর এই ত্যাগ ও অধিকার রক্ষায় আপোশহীনতার জন্য কৃতজ্ঞতা এবং গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের সকল আন্দোলনে জীবনোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

মতামত...