,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

দেশের সবজিতে ফিরেছে সেই স্বাদ

দেশে উৎপাদিত সবজিতে এখন ফিরে সেই আগের স্বাদ। উচ্চ মাত্রার রোগ প্রতিরোধী হাইব্রিড জাতগুলো বাজারজাত করার কারণে কৃষকরা এখন মাত্রাতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছেন। আগে ভারত, চীন কিংবা ভিয়েতনামের মতো দেশগুলোর উচ্চ ফলনশীল জাতের সঙ্গে ব্রিডিং করে দেশে হাইব্রিড বীজ বিপণন করা হতো। ফলে ওই সব দেশের স্বাদের সঙ্গে দেশের স্বাদ মিশে যেত। এতে বাংলাদেশের জাতের পরিপূর্ণ স্বাদ পাওয়া যেত না। এখন যুগ যুগ ধরে দেশীয় আবহে বেড়ে ওঠা সবজির প্রজাতিগুলো থেকে বাছাই করা প্যারেন্ট লাইনে উৎপাদিত উচ্চ ফলনশীল জাতগুলোর মাধ্যমে হাইব্রিড জাতের বীজ বাজারে বিপণন করছে দেশীয় কোম্পানিগুলো। এতে একদিকে জাতগুলোর যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে, তেমনি দেশীয় স্বাদ পরিপূর্ণভাবে বজায় থাকছে। এতে দেশে সবজির চাহিদা বাড়ায় উৎপাদনও বাড়ছে। আর বহির্বিশ্বে দেশীয় মানুষের কাছেও চাহিদা বাড়ছে। ফলে দেশের সবজি রফতানি বাড়ছে। আগে টমেটো, লাউ, কপি বা নানা পদের সবজি শীতকাল ছাড়া বাজারে মিলতই না। এখন প্রায় সারাবছরই বাজারে হরেক রকমের সবজি পাওয়া যাচ্ছে। কৃষকরা সারাবছরই ৬০ ধরনের ও ২০০টি জাতের সবজি উৎপাদন করছেন। এসব সবজির ৯০ শতাংশ বীজই দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত উন্নত জাত এবং সরকারের বিভিন্ন সহায়তার সঙ্গে কৃষকের পরিশ্রম যুক্ত হয়েই এ সফলতা এসেছে। vage

মতামত...