,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

দেশে পরীক্ষার ভারে জর্জরিত শিক্ষার্থীরা

student ladyনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এখন পরীক্ষাই যেন সব ! অথচ শিক্ষা প্রক্রিয়ার ছোট্ট একটা অংশ হচ্ছে  পরীক্ষা । প্রাথমিক স্কুল পর্যায়ে পাবলিক পরীক্ষা ছাড়াও ছোট-বড় নানা টেস্টের আড়ালে শিক্ষার্থীদের প্রতিদিনই অংশ নিতে হয় নানা পরীক্ষায়। ফলে পরীক্ষার ভারে জর্জরিত শিক্ষার্থীরা হারিয়ে ফেলছে জ্ঞান অর্জনের প্রতি আগ্রহ।

শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার বোঝা চাপিয়ে নয় বরং আধুনিক ও আনন্দময় শিক্ষা পদ্ধতি চালুর ব্যাপারে মনোযোগী হওয়া উচিত রাষ্ট্রের।

২০০৯ থেকে পিএসসি আর ২০১০ থেকে জেএসসি, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে এখন পাবলিক পরীক্ষা মোট চারটি। যোগ হয়েছে তথ্য প্রযুক্তি, কর্মমুখী শিক্ষার মতো নতুন নতুন  নানা বিষয়, বেড়ে যাচ্ছে বইয়ের সংখ্যা। সেই সাথে সবগুলো শ্রেণীতেই সারা বছর ধরে শিক্ষার্থীদের দিতে হয় নানা রকম টেস্ট।

এ পরীক্ষা কেন্দ্রিকতাকে সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদরা।

শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধিতে এটি শিক্ষার জন্য খুব ক্ষতিকর। আর পরীক্ষা কেন্দ্রিকতা থেকে বের হতে না পারলে শিক্ষায় উজ্জ্বলতা দেখা যাবে না।’

শিক্ষাবিদ সৈয়দ মুনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার বেশির ভাগ চলে যাচ্ছে বইয়ের সাথে। তাদের জীবনটা কি এখানেই থেমে যাবে। পড়ালেখা ছাড়া তারা আর কি  কিছু করতে পারবে না।’

উন্নত দেশে তো বটেই, বিশ্বের কোনো দেশেই স্কুল পর্যায়ে এতগুলো পরীক্ষা কিংবা টেস্ট থাকে না। বিশ্বমানের শিক্ষা চালু করতে হলে রাষ্ট্রকেই এ ব্যাপার সচেতন হতে হবে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা।

শিক্ষাবিদ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পরীক্ষা থাকবে কিন্তু যতকম ততই ভাল।  পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ালে বা পরীক্ষার পদ্ধতি পরিবর্তন করলে শিক্ষা ক্ষেত্রের উন্নতি হবে এইটা খুবই ভুল ধারণা।

শিক্ষাবিদরা মনে করেন, শিক্ষার্থীদের ওপর পরীক্ষার বোঝা না বাড়িয়ে, রাষ্ট্রের উচিত, শিক্ষার গুণগত মান বাড়ানোর দিকে এখনই মনোযোগ দেওয়া।

 

মতামত...