,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনের কাজ জানুয়ারিতে শুরু

নাছির মীর, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনের কাজ আগামী জানুয়ারিতে শুরু হবে জানিয়ে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আমজাদ হোসেন বলেছেন, প্রথম ধাপে দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনের নির্মাণ কাজ শুরু হবে। দোহাজারীতে রেলওয়ের নিজস্ব জায়গায় স্টেশন নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের কাজ হবে। শঙ্খ নদের উপর সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে পাইলিংয়ের কাজ কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হবে। দু’টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিগগির কাজ শুরু করবে।

শুক্রবার চট্টগ্রাম সফরে এসে সিআরবির রেলওয়ে বিশ্রামাগারে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আমজাদ হোসেন এসব কথা বলেন।

বন্দর এলাকার রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনির জায়গাটি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তাব প্রসঙ্গে রেলওয়ের মহাপরিচালক সাংবাদিকদের বলেন, রেলওয়ের ভূমি রেলওয়ে ব্যবহার করবে। এই ভূমি রেলওয়ের নিজস্ব ব্যবহারে লাগবে। রেলের ভূমি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে দেওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, দোহাজারী–কক্সবাজার রেললাইনের জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক রেললাইনের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির ক্ষতিপূরণ সংশ্লিষ্টদের বুঝিয়ে দেবেন। এদিকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের সদরদপ্তর (সিআরবি) এলাকা থেকে সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদেরও নির্দেশ দেন মো. আমজাদ হোসেন। মহাপরিচালক বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সারাদেশে রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন এসেছে। রেলওয়ের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় গঠন করে সরকার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে জনবান্ধব করে তুলেছে। রেলপথের উন্নয়নে সরকার প্রচুর অর্থ বরাদ্দ দিচ্ছে। তিনি বলেন, রেলপথে কন্টেনার পরিবহন বাড়াতে ইঞ্জিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কক্সবাজার পর্যটন নগরী হওয়া সত্ত্বেও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার তেমন উন্নয়ন হয়নি। এই কারণে রেলওয়ে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার, কক্সবাজার থেকে ঘুমধুম পর্যন্ত রেললাইন তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

আমজাদ হোসেন বলেন, সিআরবি এলাকায় যাতে কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ড চলতে না পারে সে জন্য জিএমকে নির্দেশ দিয়েছি। কালুরঘাট সেতু প্রসঙ্গে রেলের ডিজি বলেন, কালুরঘাটে রেল কাম সড়ক সেতু নির্মাণের কাজ অনেক এগিয়েছে। ওই সেতুর দু’পাশে বিপুলসংখ্যক জনবসতির কথা বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ চলছে। ঋণ পাওয়ার বিষয়টিও চূড়ান্ত হয়েছে।

ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে হাইস্পিড ট্রেন চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, ঢাকা–চট্টগ্রাম রুটে ডুয়েল গেজের কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে হাইস্পিড ট্রেন চালু এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দিন দিন রেলের যাত্রীর সেবার মান যেমন বাড়ছে তেমনি রেলের আয়ও বাড়ছে জানিয়ে তিনি বলেন, গত অর্থবছরে ৪০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এতে আমরা সন্তুষ্ট নই। এবার ২ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা আশা করছি এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

মতামত...