,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

নতুন আলোর প্রত্যাশায় ঢাকায় শহীদ মিনারে আলোর মিছিল

masalনিজস্ব প্রতিবেদক,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃঢাকা,   ২৫ মার্চের কালরাত্রির স্মরণে অন্ধকারকে দূর করে নতুন আলোর প্রত্যাশায়  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের শহীদ বেদীতে গিয়ে শেষ হয়।

শুক্রবার রাতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আয়োজনে এ মিছিলে অংশ নেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, রাজনীতিক নেতা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

মিছিল পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘যারা বাংলাদেশে থেকে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলেন তারা দেশের শত্রু। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘পাকিস্তান প্রেমিকদের বলবো আপনাদের কোনো সুযোগ আর এদেশে নেই। আলো জ্বালিয়ে আমরা সকল কালো দূর করবো।’

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘২৫ মার্চের গণহত্যা ছিল পাকিস্তানের বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতারণার চূড়ান্ত প্রকাশ। এর বিরুদ্ধে আমরা লড়াই করে তাদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছি।’

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর আমরা পাকিস্তানী বাহিনীকে পরাজিত করেছি কিন্তু তাদের ষড়যন্ত্র আজো বিরাজমান।’ এসময় তিনি জানান, যারা মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধাদের কটাক্ষ করে কথা বলেন তাদের শাস্তি দিতে আগামী সংসদ অধিবেশনেই এ বিষয়ে আইন পাস করা হবে।

সিপিবির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বরের বিজয় হাতছাড়া করার জন্য আজ ঘাতক বাহিনী উদ্যোত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করে তাদের আর্থিক শক্তি ও কমান্ডিং পাওয়ারকে ভেঙে চুরমার করে দিতে হবে।’

একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘২৫ মার্চ রাতে ১০ হাজার থেকে এক লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ট্রাক বোঝাই করে লাশ বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছিল। সেই হিসাবে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩০ লাখের অধিক হবে।’

২৫ মার্চের গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ১২ বছর ধরে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মহাজোট সরকারের কাছে আমাদের দাবি  সরকারিভাবে দিনটিকে গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হোক।’

সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানীর সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, শহীদ মাকসুদ আলীর মেয়ে তাহমিনা খান প্রমুখ।

পরে দেশের বরেণ্য ৪৫ ব্যক্তির হাতে ৪৫টি মশাল প্রজ্জ্বলনের মধ্যে দিয়ে আলোর মিছিল শুরু করা হয়। মশাল জ্বালানোর পর ওই মশালের আগুনে জ্বালানো হয় মোম। আর সেই প্রজ্জ্বলিত মোম নিয়ে যাত্রা করা হয় জগন্নাথ হলে। সেখানে শহীদদের স্মরণ করে শেষ হয় সেই আয়োজন।

বি এন আর/০০১৬০০৩০০২৬/০০৫৪৩৬/  এন

মতামত...