,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

নারায়ণগঞ্জে মেয়ে অপহরণে বাধা দেওয়ায় বাবা কুপিয়ে হত্যা

policeনারায়ণগঞ্জ সংবাদ দাতা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ  নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় মেয়েকে ঘর থেকে অপহরণের  সময়  বাধা দেওয়ায় বাবা কুপিয়ে হত্যা করেছে ‘কথিত’ প্রেমিকসহ তার বন্ধুরা। নিহত মনিন্দ্র অধিকারীকে (৫০)  একটি বাড়ির কেয়ারটেকার ও রিকশা চালক ছিলেন।

বুধবার (১৬ মার্চ) ভোরে ফতুল্লার ভুঁইগড় রগুনাথপুর এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় নজরুল ইসলাম (৩৫), মনির হোসেন (৩৪), জাহিদ (২০), সু-শান্ত (১৯), জুয়েল (২৫), বাবু (২১) ও হৃদয়সহ (২৬) সাতজনকে আটক করে পুলিশ। এসময় তাদের বহনকারী দু’টি মাইক্রোবাসও আটক করা হয়।

নিহত মনিন্দ্র অধিকারী লালমনিরহাটের কালিগঞ্জ থানার কৃজ্ঞদিশা এলাকার বাসিন্দা।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমকে জানান, ভুঁইগড় রগুনাথপুর এলাকায় এনামুল হকের বাড়িতে স্ব-পরিবারে বসবাস এবং বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন করতেন মনিন্দ্র অধিকারী। এমনকি তিনি রাতের বেলা বাড়ি দেখা শোনা করেন এবং দিনে রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

ওসি আরও জানান, তার তিন মেয়ের মধ্যে মেঝ মেয়ে ঝর্না অধিকারী (১৭) নামে এক তরুণীর সঙ্গে ঢাকার তুহিন নামে এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের প্রেমের সম্পর্ক পরিবারের লোকজন জানতেন না। ঝর্নার বিয়ে ঠিক করে পাগলার এক ছেলের সঙ্গে। ঝর্না এ বিয়ে রাজি না হয়ে তার প্রেমিক তুহিনকে বিষযটি অবগত করেন। পরে দু’টি মাইক্রোবাস  নিয়ে তুহিনসহ তার বন্ধুরা মঙ্গলবার গভীর রাতে রগুনাথপুরের বাড়ি থেকে ঝর্নাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় বাবাসহ পরিবারের লোকজন বাধা দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঝর্নার বাবা মনিন্দ্র অধিকারীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

মনিন্দ্র অধিকারীকে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়ার সময় নিহতের স্ত্রীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন সাতজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

নিহত মনিন্দ্র অধিকারীর মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের চেষ্টা ও এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১৫/০০০২৫৩/পি

 

মতামত...