,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

নির্বাচনের মাঠ ছাড়ার রাজনীতি বিএনপির

bnp logoনিজস্ব  প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা, নির্বাচনে অংশ নিয়েও নির্বাচনের দিন মাঝপথে সরে আসার রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না বিএনপি। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন থেকে শুরু হওয়া এ ধারা পৌরসভা নির্বাচন পেরিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন পর্যন্ত বজায় রাখে দলটি।

বিএনপি নেতারা এর কারণ হিসেবে, সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে দুষছেন। তবে সুশীল সমাজ বলছেন, নির্বাচনের মাঠে বিএনপির সক্রিয় ভূমিকা না থাকাই এর মূল কারণ।

উত্তর চট্টগ্রামের ৩টি উপজেলার ৩০টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই একে একে বিএনপি’র প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিতে থাকে। দুপুর ১২টার মধ্যে বলা চলে বিএনপি প্রার্থীরা নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে চলে যায়। শুধু নির্বাচনী মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়া নয়, নির্বাচনের দিন কেন্দ্রগুলোতে এজেন্ট দেয়নি। এমনকি তেমনিভাবে নির্বাচনী প্রচারণাও চালায়নি তারা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপি’র এ অবস্থান তা কিন্তু নয়। এটি শুরু হয়েছিলো গত বছর ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনেও। মাঝে একই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিলো চট্টগ্রামের ১০টি পৌরসভা নির্বাচনেও।

চট্টগ্রাম জেলা সনাক-এর সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার বলেন, ‘মাঠে থাকলে বুঝা যেতে বিএনপি কতোটা সামর্থ্য অর্জন করেছে। নির্বাচনে যাওয়ার উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়া। বিএনপি কিন্তু সেই কাজটিও করেনি। সেই কারণে আওয়ামী লীগ একছত্রভাবে বিজয়ী হয়েছে।’

সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের নানামুখী ষড়যন্ত্রের কারণেই বার বার নির্বাচন থেকে সরে আসতে হচ্ছে বলে দাবী করেন বিএনপি নেতা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, ‘বিএনপি মনে করেছিল একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন হবে। সেখানে দেখা গেল নির্বাচনের নামে প্রহসন। বিএনপি ফেরত আসছে না বরং বিএনপিকে বাধ্য করা হচ্ছে নির্বাচন থেকে ফেরত আসার জন্য।’

নির্বাচনে অংশ নেয়ার পর বিএনপি’র হঠাৎ করে মাঠ ছেড়ে চলে যাওয়াকে কোনো ভাবেই মানতে পারছেন না সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এটিকে বিএনপি’র হঠকারী সিদ্ধান্ত এবং দেউলিয়াত্বপনা বলেও মন্তব্য তাদের।

চট্টগ্রাম জেলা সুজন-এর সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, ‘তারা (বিএনপি) একবার আসল আবার চলে যাচ্ছে কেন? এটা হচ্ছে তাদের দলীয় সিদ্ধান্তহীনতা, দুদোল্যমনতা কিংবা দেউলিয়াত্ব।’

বৃহত্তর চট্টগ্রামের হাতে-গোনা কয়েকটি উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ ছাড়া স্থানীয় সরকারের আর কোনো পদে বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নেই। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি, সবগুলো পৌরসভা এবং সর্বশেষ ৩০টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদের ২৯টিতেই জয় তুলে নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

 

বি এন আর/০০১৬/০০৪/০০২/০০০৪৭৩৬/ এন ইউ

মতামত...