,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

নিষ্ঠার সাথে কাজ করার প্রত্যয় নতুন গভর্নর ফজলে কবীরের

fajlkbirনিজস্ব প্রতিবেদক, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন  বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন  গভর্নর ফজলে কবীর। একই সঙ্গে অর্থ চুরির ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সরকার আস্থা রেখেই আমার ওপর এই দায়িত্ব দিয়েছেন।এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব।

আজ অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে নতুন গভর্নরের। সবকিছু ঠকঠাক থাকলে আগামী রোববার থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ফজলে কবীরের।

উল্লেখ, গত ১৬ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে সাবেক অর্থসচিব ফজলে কবিরকে নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ফজলে কবিরকে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২-এর ১০ (৫) ধারা অনুযায়ী বর্তমান পদ এবং অন্য সব প্রতিষ্ঠানের কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো। নতুন এই গভর্নরের মেয়াদ হবে যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর।

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে ফিলিপাইনের পত্রিকা ইনকোয়ারারের প্রতিবেদনে জানানো হয়, নিউ ইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে গচ্ছিত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হাতিয়ে নিতে চেয়েছিল হ্যাকাররা। এ প্রচেষ্টায় দুই ধাপে প্রায় ১০১ মিলিয়ন ডলার লোপাট করলেও ৮৭০ মিলিয়ন ডলার পাচারে ব্যর্থ হয় তারা।

প্রকাশ, সুইফট মেসেজিং সিস্টেমে জালিয়াতির মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চুরি করা অর্থ ফিলিপাইন ও শ্রীলঙ্কার ব্যাংকে স্থানান্তরিত হয়। এর মধ্যে ফিলিপাইনের অ্যাকাউন্টে নেওয়া ৮ কোটি ডলার ক্যাসিনোর মাধ্যমে হংকংয়ে পাচার করা হয়েছে।

ফেডারেল রিজার্ভের বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ চুরির ঘটনা তদন্ত করবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা কোম্পানি ফায়ারআই। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শক ওয়ার্ল্ড ইনফরমেটিক্সই অর্থ লোপাটের তদন্তে ফায়ারআইকে সম্পৃক্ততার কথা জানিয়েছে রয়টার্স।

এই পরিস্থিতিতে সদ্য বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমান ‘চাপ’ ও সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেন। তার পরেই ফজলে কবীরকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ফজলে কবীর ১৯৮০ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের রেলওয়ে (পরিবহন এবং বাণিজ্যিক) ক্যাডারে যোগদানের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৮৩ সালে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান করেন। ৩৪ বছরের পেশাজীবনে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়সহ মাঠপর্যায়েও প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব এবং অর্থমন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় পরিকল্পনা এবং উন্নয়ন একাডেমি, বিসিএস প্রশাসন একাডেমিতে মহাপরিচালক হিসেবে কাজ করেন। তিনি ২০০৮ সালে জাতিসংঘের ফিন্যান্স এবং বাজেট কমিটি সেশনে বাংলাদেশ ডেলিগেশনের নেতৃত্ব দেন।

 

বি এন আর/০০১৬০০৩০০১৭/০০০২৬৯ /পি

মতামত...