,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

পবিত্র ঈদুল আযহা কাল

bnr-eid

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ ঈদুল আজহা মঙ্গলবার। জিলহজের চাঁদ উঠার পর নির্ধারিত হয়ে যায় এই ঈদের দিনটি।

ঈদে www.bdnewsreviews.com এর সাথেই থাকুন, ‘যখনই ঘটনা তখনই জানুন’ বহুল প্রচারিত অন-লাইন নিউজ পোর্টাল বিডিনিউজ রিভিউজ’র পক্ষ থেকে সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা -ঈদ মোবারক। 

কোরবানির প্রস্তুতি প্রায় শেষ। অপেক্ষা কেবল রাতটুকু পোহানোর। মঙ্গলবার সারাদেশে উদ্যাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা।

কোরবানির ইতিহাস সুপ্রাচীন। প্রায় চার হাজার বছর আগে আল্লাহ তাআলার সন’ষ্টি লাভের জন্য হযরত ইব্রাহিম (আ.) নিজের ছেলে হযরত ইসমাইলকে (আ.) কোরবানি করার প্রস’তি নিয়েছিলেন। কিন’ পরম করুণাময়ের অপার কুদরতে হযরত ইসমাইল (আ.) এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি হয়ে যায়। হযরত ইব্রাহিম (আ.) এর সেই ত্যাগের মহিমার কথা স্মরণ করে মুসলিম সম্প্রদায় জিলহজ মাসের ১০ তারিখে আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করে থাকেন।

মঙ্গলবার সকালে বিভিন্ন বয়সের মানুষ শরিক হবে ঈদের জামাতে। এক কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আদায় করবে ঈদের নামাজ। ভুলে যাবে সব ভেদাভেদ। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ আদায়ের পর কোলাকুলি, শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্য বিনিময় করবে । নামাজ শেষে বাড়ি ফিরে মহান আল্লাহ তাআলার উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি এই ঈদের প্রধান কর্তব্য। সামর্থ্যবানরা নিজেদের নামে, প্রিয়জনের নামে পশু কোরবানি দিয়ে আল্লার সন’ষ্টি আদায়ে সচেষ্ট হবেন। যাদের সামর্থ্য নেই তারাও বাদ যাবেন না ঈদের আনন্দ থেকে। আল্লাহ তাআলা সামর্র্থ্যবান মুসলমানদের জন্য পশু কোরবানি বাধ্যতামূলক করেছেন।

কোরবানির মাংসের তিনভাগের এক ভাগ দরিদ্র মানুষের মধ্যে বণ্টন করে দেওয়া ইসলামে সাম্যের বিধান। যার মধ্য দিয়ে গড়ে উঠবে সম্প্রীতি। ঈদের পরে আরও দুই দিন, অর্থাৎ ১১ ও ১২ জিলহজেও পশু কোরবানি করার বিধান আছে।

ঈদুল আজহা আমাদের দেশের মানুষের কাছে ‘কোরবানির ঈদ‘ নামেই পরিচিত। কোরবানির পশু কেনা, তার যত্ন-পরিচর্যাতেই ঈদের মূল প্রস’তি ও আনন্দ। ইতিমধ্যেই অনেকে পছন্দের কোরবানির পশু কিনে ফেলেছেন। যাদের কেনা বাকি, তারা ছুটছেন এ-হাটে ও-হাটে।

প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে দুর্ভোগ উপেক্ষা করে শহর ছেড়ে সপরিবারে গ্রামে যাত্রা শুরু করেছে অগণিত মানুষ। নগরের বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন ও লঞ্চঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় এখন শেষ মুহূর্তেও।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া পৃথক বাণীতে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো ঈদের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও এর মাহাত্ম্য তুলে ধরে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রচার করেছে। ঈদের আনন্দকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে টেলিভিশনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালা। বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলগুলো ঈদ উপলক্ষে পাঁচ থেকে সাত দিন বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচারের আয়োজন করেছে।

 

মতামত...