,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে আমিই প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলাম: কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ

পটিয়া সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম::এলডিপি চেয়ারম্যান, সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী আলহাজ্ব ড. কর্ণেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর এখন ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করা, অনেক রাজাকার ও তাদের ছেলেরা মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে অনেক রাষ্ট্রীয় সুবিধা ভোগ করছে, যা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য গ্লানিকর। আর এ কারণে এখন মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিতে নিজেরই লজ্জা হয়।

বৃহস্পতিবার  ২১ ডিসেম্বর দুপুরে গাছবাড়িয়া মমতাজ বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও গাছবাড়িয়ায় কিন্ডার গার্টেন’র বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

কর্ণেল অলি বলেন– স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এখন অনেকেই অনেক কথা বলেন। কিন্তু সঠিক কথাটি কারো মুখ দিয়ে বেরোয় না। তিনি বলেন– মুক্তিযুদ্ধের শুরুতেই পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে আমিই প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলামু। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সর্বপ্রথম বীর বিক্রম উপাধি তিনিই পেয়েছিলেন। অলি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনটি বিগ্রেড ছিল, এরমধ্যে দুইটি বিগ্রেডের প্রধান ছিল দুইজন ভারতীয় মেজর। অপর একটি বিগ্রেডে কাউকে দায়িত্ব নিতে না দিয়ে তিনি নিজেই বিগ্রেড প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আমার কাছে প্রস্তাব এসেছিল মন্ত্রী হওয়ার। আমি বেগম জিয়ার সাথে বেঈমানী করিনি। ২০১৩ সালেও বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে মন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব এসেছিল। আরো অনেক অপার এসেছিল, কিন্তু আমি গ্রহণ করিনি। আমি বলেছি আমি যেখানে আছি সেখানে ভাল আছি। তিনি বলেন, আমার দ্বারা যতগুলি প্রতিষ্ঠান নির্মিত হয়েছে, তা আর কেউ করতে পারেনি। আমি ছাড়া কোন কৃষক পরিবারের ছেলে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীত হতে পারেনি। তিনি বলেন– চন্দনাইশের নাম বাদ দিয়ে, গাছবাড়িয়া স্কুলের নাম বাদ দিয়ে কেউ কোনদিন ইতিহাস লিখতে পারবে না। তিনি বলেন– বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে কাজ করবে কথা বলবে তার বিরুদ্ধে আমার বিদ্রোহ অব্যাহত থাকবে। সে ধারাবাহিকতায় এখন আমার বিদ্রোহ হচ্ছে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শামসুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা নুরুল ইসলাম চৌধুরী, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আবদুর রহিম বাদশা, অধ্যাপক সিরাজুল করিম, আবদুল জলিল, বিজয় কৃষ্ণ ধর, কাউন্সিলর খোরশেদ আলম সবুজ, নজরুল ইসলাম মেম্বার, মনির আহমদ, বিজয় ধর, সরওয়ার হোসেন চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। পরে প্রধান অতিথি কর্ণেল অলি কৃতী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

মতামত...