,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

পার্বত্য চট্টগ্রামে সেনা প্রত্যাহার না করার দাবী

army  -hillনিজস্ব প্রতিবেদন,  বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ ঢাকা, দেশের অখণ্ডতা রক্ষায়, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পার্বত্য এলাকা থেকে কোনো অবস্থাতেই সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার না করার দাবি জানিয়েছে ‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদ’।

শুক্রবার (১৩ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘গত ৮ মে রাজধানীতে পার্বত্য কমপ্লেক্সের ভিত্তি ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিন পার্বত্য জেলায় চারটি সেনা ব্রিগেড বাদে বাকি সব সেনাক্যাম্প প্রত্যাহরের ঘোষণার প্রতিবাদে’ মানববন্ধন করে সংগঠনটি।

তাদের অভিযোগ, সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিলে পাহাড়ের সব মানুষ উপজাতি অস্ত্রধারীদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়বে।

পার্বত্য অঞ্চলে সেনাক্যাম্পের যৌক্তিকতায় বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামে অস্ত্রধারী উপজাতী সন্ত্রাসী চাঁদাবাজদের মোকাবেলায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও বাঙ্গালিদের মধ্যকার সম্প্রীতি রক্ষা, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীর কোনো বিকল্প নাই। এ অঞ্চলের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবহিনী অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

সন্তু লারমা বাহিনীসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী বাহিনীর কথা উল্লেখ করে এসময় বক্তারা বলেন, ‘সেনাক্যাম্প থাকা সত্ত্বে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিসহ উপজাতি সন্ত্রাসীরা তিনটি গ্রুপে পালাক্রমে অসহনীয় চাঁদাবাজী, অপহরণ, গুম ও অস্ত্রের ঝনঝনানিতে পার্বত্যবাসী অতিষ্ট। সেখানে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহার করে নিলে পাহাড়ের সব মানুষ উপজাতি অস্ত্রধারীদের হাতে জিম্মি হয়ে যাবে।’

বক্তারা অভিযোগ তুলে আরো বলেন- সেনাবাহিনীর অনুপস্থিতিতে পার্বত্য এলাকায় বিভিন্ন দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বর্গরাজ্য ও নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হবে। তাই সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান আলকাছ আল মামুন ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- সম-অধিকার আন্দোলনের মহাসচিব মনিরুজ্জামান মনির, পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আহমেদ রাজু, কেন্দ্রীয় নেতা মো. কামাল হোসেন ভূঁইয়া প্রমুখ।

 

মতামত...