,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হচ্ছে অর্ধশতাধিক আইটি কোম্পানি

দেশের আইটি শিল্পকে গতিশীল করে ২০২১ সালের মধ্যে এ খাত থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার আয় করার পরিকল্পনা নিয়েছে তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। দেশের পাশাপাশি বিদেশে বাংলাদেশি তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে আইটি কোম্পানি গড়তে কাজ করা হচ্ছে। পুঁজিবাজারের স্বার্থে এর মধ্যে অর্ধশতাধিক কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনতে কাজ করছে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এসব কোম্পানি গঠনের জন্য জায়গা, ভেঞ্চার এমনকি ইক্যুইটি ফান্ড দিয়ে সহযোগিতা দেয়া হবে বলে জানা গেছে।
ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, একটি উন্নত ও মেধাসম্পন্ন দেশ গড়তে প্রযুক্তির উন্নতির বিকল্প নেই। তাই সরকার প্রযুক্তি খাতকে প্রাধান্য দিয়ে ছোট পরিশোধিত মূলধনের কোম্পানিগুলোকে বাজারে আনার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে এর আওতায় ৫০টি কোম্পানির জন্য দুই বছরের ইক্যুইটি ফান্ডের ব্যবস্থা করার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি বলেন, প্রযুক্তির বিস্তার যখন সারা বিশ্বে; তখন বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে থাকবে। বাংলাদেশও প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এখন একজন কৃষকও প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করছেন। আমরা জনগণের আরো কাছাকাছি পৌঁছুতে চাই। যাতে তারা বড় হয়ে বাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে। তিনিজানান, এ কর্মপরিকল্পনায় গ্রাম ও শহরের মানুষের বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে  প্রাথমিকভাবে সরকারি ও বেসরকারি মোট ৬০০টি অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। যা গুগল কিংবা মজিলা ফায়ার ফক্সসহ অন্যান্য যে কোনো দেশের যে কোনো অ্যাপস থেকে আলাদা। এর ফলে নতুন করে সৃষ্টি হবে কর্মসংস্থান। প্রতিনিয়ত বাড়বে আয়ও। এ খাত থেকে ২০১৮ সালে ১ বিলিয়ন ডলার, ২০২১ সালে ৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আর ২০৪১ সালের মধ্যে এ খাত থেকে বছরে আয় ৬০ বিলিয়নে উন্নীত করারও পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য আগামী বছরগুলোতে ৬০ লাখ তরুণ-তরুণীকে বিভিন্ন কোম্পানি গঠন করে আইটিবিভাগের আওতায় আনা হবে।
প্রসঙ্গত, বর্তমানে পুঁজিবাজারে আইটি খাতের মোট ৬টি কোম্পানি তালিকাভুক্ত রয়েছে। কোম্পানিগুলো হচ্ছে আরমিট টেকনোলজিস লিমিটেড, অগ্নি সিস্টেমস, বিডিকম অনলাইন, ড্যাফোডিল কম্পিউটার, ইনটিচ লিমিটেড এবং ইনফরমেশন সার্ভিসেস নেটওয়ার্ক লিমিটেড। এর মধ্যে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ৪টি আর ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ২টি কোম্পানি।
এর আগে চলতি বছরের ৭ মে দেশের পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করতে বিদেশি আইটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, ফরেন মিউচুয়াল ফান্ডের মাধ্যমে বিদেশি আইটি কোম্পানিগুলোকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়লে চাঙ্গা হয়ে উঠবে বাজার। এতে বিদেশি বিনিয়োগকারী ও বাংলাদেশ উভয় পক্ষই লাভবান হবে।

মতামত...