,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

পৌর নির্বাচনে ঋণখেলাপি শনাক্তে প্রার্থীদের তথ্য চেয়েছে নির্বাচন কমিশন

ঢাকা, ০৩ ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম) :: বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সলর পদেপ্রার্থীদের মধ্যে ঋণখেলাপি সনাক্তের উদ্যোগ নিয়ে এজন্য সব তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহের নির্দেশ দিয়ে বৃহস্পতিবার সংস্থাটি নির্বাচন কমিশনে চিঠি  দিয়েছে ।
bb1
চিঠিতে নির্বাচনী এলাকার রিটার্নিং অফিসারকে সরাসরি তথ্য সরবরাহের সুবিধার্থে  শুক্র, শনি ও রোববার প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর সিআইবি সেল খোলা রাখার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

বলা হয়েছে, সিআইবি ডাটাবেজে সর্বশেষ ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত মাসিক ঋণতথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। ৫০ হাজার টাকার নিচে বকেয়া ঋণস্থিতি সম্পন্ন ঋণখেলাপি এবং ৩১ অক্টোবরের পরবর্তীতে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য সরাসরি সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে সরবরাহের করতে বলা হয়েছে।

আবার  রিটার্নিং কর্মকর্তাদেরও ঋণখেলাপি শনাক্ত করতে প্রার্থীদের তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো।

চিঠিতে, মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য পেতে সব প্রার্থীকে পূর্ণনাম, পিতার নাম, মাতার নাম, স্বামীর নাম, জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) নম্বর, করদাতা শনাক্তকরণ সংখ্যা (টিন), জন্ম তারিখ, স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা সম্বলিত তথ্য সংযুক্ত ছক অনুযায়ী যথাযথভাবে পূরণ করে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো বরাবর পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে তালিকা পাওয়ার পরই ঋণখেলাপি প্রার্থীদের তালিকা সরবারহ করা হবে ।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে এর আগে গত মঙ্গলবার ঋণখেলাপিদের বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়এতে  বলা হয়, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯ এর ধারা ১৯(২)(ঝ)(ঞ) এর বিধানবলে ঋণখেলাপি ব্যক্তিরা পৌরসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন না। নির্বাচনে যাতে ঋণ খেলাপিদের অযোগ্য ঘোষণা করা যায় সেজন্য এ সংক্রান্ত তথ্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে দিতে সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দেয়া হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে- মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার তারিখে কোনো ব্যাংক ঋণ মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় অনাদায়ী থাকলে প্রার্থী অযোগ্য হবেন। তবে নিজস্ব বসবাসের জন্য নেয়া গৃহ-নির্মাণ অথবা ক্ষুদ্র কৃষি ঋণ এর আওতাভুক্ত হবে না। এমন কি কোনো কোম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদার কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেয়া ঋণের কোনো কিস্তি খেলাপি হয়ে থাকলে সেটিও এর আওতায় পড়বে না।

মতামত...