,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রখর রোদে পুড়ছে ঠাকুরগাঁয়ের মাঠ-ঘাট, কৃষকদের মাথায় হাত!

aইমন রায়, ঠাকুরগাঁও, বিডিনিউজ রিভিউজঃ টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢালে উত্তরাঞ্চলের অধিকাংশ জেলা বন্যায় যখন প্লাবিত তখন ঠাকুরগাঁয়ের চিত্র এর বিপরীত। মাঝে মাঝে আকাশে মেঘের ভেলা আশা জাগালেও কাঙ্খিত বৃষ্টির দেখা নেই। ভরা বর্ষায় যখন বৃষ্টি হচ্ছে বিভিন্ন এলাকায় তখন প্রখর রোদে পুড়ছে ঠাকুরগাঁয়ের মাঠ -ঘাট। বৃষ্টি না হওয়ায় আমনের চারা রোপন করে সেচ দিয়ে পানির চাহিদা মেটানোর চেষ্ট করছেন চাষীরা। এতে উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কৃষক । ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায় , চলতি মৌসুমে এ জেলায় প্রায় ১ লাখ ৩৩ হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় এ লক্ষমাত্রা অর্জন হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকরা মাঠে ডিপ ও শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচের মাধ্যমে জমি চাষ করছেন এবং চারা রোপন করেছেন। কিন্তু বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এই চারাগুলো মৃত প্রায়। সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কালিতলা এলাকার কৃষক অমল দেবনাথ জানান, বোরো মৌসুমে ভালো ফলন পেলেও ধানের নায্যমূল্য না পাওয়ায় অনেক লোকসান গুনতে হয়েছে। বর্ষার সময় প্রায় শেষ হয়ে আসছে কিন্তু এখন পর্যন্ত কোন ভারী বৃষ্টিপাতের দেখা নেই। মাঠজুড়ে খাঁ খাঁ করছে। কিন্তু ডিজেল ও অন্যান্য আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছি। আঁকচা ইউনিয়নের কামার পাড়া গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র রায় জানান এসময় এ রকম খড়া কখনও দেখিনি। এ সময় নদী- নালা , খাল-বিল নিচু জলাশয়গুলোয় পানি থৈ থৈ করতো। আর এখন সেখানে মাঠ-ঘাঠ ফেটে গেছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের কৃষক মোঃ বাবুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন , বৃষ্টি না হওয়ায় আমনের ক্ষেত পানির অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ডিজেল চালিত ম্যাশিন দিয়ে সেচের ব্যবস্থা করছি। এতে করে খরচ বেশি হয়। ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আরশেদ আলী খান জানান, বর্তমানে যে অবস্থা চলছে যদি এই অবস্থা বেশিদিন চলে তাহলে আমন আবাদে প্রভাব ফেলবে। আমরা আশা করছি দ্রুত এ খরা মৌসুম থেকে আমরা উদ্ধার পাবো । এছাড়াও ভাল ফলন পেতে কৃষকদের নির্দিষ্ট সময়ে সেচ দেওয়ার পাশাপাশি সেচযন্ত্রগুলো সচর রাখার পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

মতামত...