,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয়দের স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়িত হবে বিদ্যুৎ প্রকল্প: ড. তৌফিক

মহেশখালী সংবাদদাতা, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি গতকাল শুক্রবার সরজমিনে পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই ইলাহী চৌধুরী এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। এ সময় তাদের সাথে ছিলেন জাপানী রাষ্ট্রদূত, জাইকা প্রতিনিধি সহ ১৮ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

জ্বালানি উপদেষ্টা মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ এলাকায় বসবাসকারীদের উদ্দেশ্যে বলেন, মহেশখালীর সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করবে না সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মোতাবেক সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করেই বাস্তবায়িত হবে এ বৃহৎ বিদ্যুৎ প্রকল্প।

তিনি আরো জানান, অচিরেই মহেশখালী হবে দ্বিতীয় সিঙ্গাপুর। মহেশখালী দ্বীপ থেকে আলোকিত হবে পুরো বাংলাদেশ। আমরা সব ক’টি মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামো উন্নয়নসহ সকল কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে চাই। মাতারবাড়ির চারপাশের বেড়িবাঁধ সংস্কারে অচিরেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারলে দেশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে আরো এগিয়ে যাবে। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে মহেশখালীকে সিঙ্গাপুরের আদলে একটি আধুনিক ও উন্নয়ন বান্ধব উপজেলা হিসাবে গড়ে তোলা হবে।

শুক্রবার সকাল ১০টায় প্রতিমন্ত্রীসহ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হেলিকপ্টার যোগে মাতারবাড়ীতে উপস্থিত হন। বিশেষ প্রতিনিধি দলকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি সকাল ১০ টায় মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পের মাঠে তৈরি হেলিপ্যাডে অবতরণ করে। প্রতিনিধি দলটি কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্পের স্থান পরিদর্শন করে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ শেষে এলাকাবাসীর বিভিন্ন দাবি দাওয়ার কথা শুনেন। এ সময় স্থানীয় জনতা মাতারবাড়ীতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

১৮ সদস্যের প্রতিনিধি দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান, চিফ অব নেভাল স্টাফ অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, পুলিশের মহাপরিচালক একেএম শহীদুল হক, বিদ্যুৎ সচিব মনোয়ার ইসলাম, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী, বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুব উল আলম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এসএম আমিনুর রহমান, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন, কক্সবাজার পুলিশ সুপার শ্যামল কান্তি নাথ, চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী শামসুল আলম, বিদ্যুৎ বিভাগের উপ-সচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন, জাপানের রাষ্ট্রদূত মাশাতো ওয়াতানাবে, বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ মিকিও হাতাইদা, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম প্রমুখ।

মতামত...