,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা: নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট নিরসনে চিটাগাং চেম্বার সভাপতির

aনিউজ ডেস্ক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র সভাপতি মাহবুবুল আলম নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। ২৫ আগস্ট এক পত্রের মাধ্যমে তিনি এ আহবান জানান। পত্রে তিনি বলেন-২২ আগস্ট সন্ধ্যা থেকে নৌযান শ্রমিকরা সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে এবং সারাদেশে লাইটারেজ জাহাজ চলাচল ও পণ্য পরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে করে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙর থেকে দেশব্যাপী শিল্পের কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জাহাজজট এবং কন্টেইনারজট নতুন সংকট তৈরি করার আশংকা দেখা দিয়েছে। জাহাজের টার্ণ এরাউন্ড টাইম বৃদ্ধি এবং কন্টেইনারের ওভারস্টের কারণে ডেমারেজ চার্জ, পণ্য আমদানি-রপ্তানি ব্যয় বৃদ্ধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে এবং সাধারণ ভোক্তাদের অতিরিক্ত মাশুল গুণতে হবে বলে মনে করেন চেম্বার সভাপতি।

গত ৪দিন যাবত পরিবহন খাতের সবচেয়ে সাশ্রয়ী, শিল্প ও উন্নয়নের অপরিহার্য যোগাযোগ খাত হিসাবে নৌপরিবহন সেক্টরে চলমান অচলাবস্থা নিরসনে কোন কর্তৃপক্ষ অদ্যাবধি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় চিটাগাং চেম্বার গভীর উদ্বেগ এবং হতাশা প্রকাশ করছে। উক্ত সেক্টরে কর্মরত পেশাজীবীদের কোন যৌক্তিক আবেদন থাকলে উদ্যোক্তা বিনিয়োগকারীদের সাথে আলোচনায় বসে উৎপাদন ও অগ্রগতি সহায়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য চেম্বার সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তিনি পত্রে উল্লেখ করেন, ইতোপূর্বে ২১ এপ্রিল থেকে ২ রা মে ২০১৬ ইং পর্যন্ত প্রথমে শ্রমিক ও পরে মালিকদের ধর্মঘটের ফলে নৌপণ্য পরিবহন বন্ধ থাকার কারণে জাহাজ জট, কন্টেইনার জট এবং যানজটের কারণে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সৃষ্ট অচলাবস্থা অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বিগত কয়েক মাসে বন্দরের কন্টেইনার জট কিছুটা হ্রাস পেলেও নতুন করে শ্রমিক ধর্মঘট সার্বিক পরিস্থিতিকে আবারও বিশৃংখলার দিকে ধাবিত করবে। তাই আহুত নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান মাহবুবুল আলম।

মতামত...