,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারে আসছেন :মেরিন ড্রাইভ সড়ক ৬ মে উদ্বোধন

কক্সবাজার সংবাদদাতা, ২৫এপ্রিল, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: প্রায় ১২০ কিলোমিটার মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধন হবে আগামী ৬ মে। উখিয়া-টেকনাফের উপকূল দিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে সড়কটি। এর একপাশে সমুদ্র সৈকতের উপকূলে সারি সারি ঝাউ গাছের সৌন্দর্য। অন্য পাশে পাহাড় পর্বত। এ সড়কটি উদ্বোধন হওয়ার ফলে উপকৃত হবেন উখিয়া-টেকনাফবাসী। বদলে যাবে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা। আর মাত্র কয়েকদিন পর এখানে আগমন ঘটবে দেশি-বিদেশি পর্যটকের। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এখানে বাড়বে ব্যবসা বাণিজ্য। আর খুব কম সময়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারবে এখানকার মানুষ।

আগামী ৬ মে কক্সবাজার ও উখিয়া- টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়ক উদ্বোধন করতে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ রোড় উদ্বোধন করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী টেকনাফ সাবরাংয়ে প্রস্তাবিত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠিত করার বাস্তবায়ন আরও একধাপ এগিয়ে যাবে বলে আশা করছেন এখানকার বাসিন্দারা। প্রধানমন্ত্রীর আগমনের দিনক্ষণ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ততা বেড়েছে সড়ক কাজের বাস্তবায়নকারী সেনাবাহিনীর প্রকৌশল নির্মাণ ব্যাটালিয়ন ১৬ ইসিবি সদস্যদের।

১৯৯৯ সালে ৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কক্সবাজার- টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কটি নির্মাণের জন্য একটি প্রকল্প গৃহীত হয়। তখন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল ২০৩ কোটি ২১ লাখ টাকা। এ সময় সড়ক ও জনপদ বিভাগ কক্সবাজার কলাতলী পয়েন্ট থেকে সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করে। সওজ বিভাগের ঠিকাদার কর্তৃক নির্মিত কলাতলী মোড় থেকে পাইওনিয়ার হ্যাচারি পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার সড়ক সাগরের প্রবল ঢেউয়ে সাগরে বিলীন হয়ে যায়। পরে মেরিন ড্রাইভ সড়ক নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয় সেনাবাহিনীর প্রকৌশল নির্মাণ ব্যাটালিয়নকে। বর্তমানে সড়কটি ৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য থেকে বেড়ে ৮০ কিলোমিটারে উন্নীত করা হয়েছে। ২০১৪ সালের জুলাই থেকে নতুন করে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

আবদুর রহমান বদি এমপি বলেন, কক্সবাজার জেলাবাসীর স্বপ্নের মেরিন ড্রাইভ সড়কটি প্রথমে জেলা শহর থেকে উখিয়া উপজেলার ইনানী পর্যন্ত নির্মাণ করার পরিকল্পনা ছিল। আমি জাতীয় সংসদে প্রস্তাব দেয় সড়কটি টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত সমপ্রসারণের জন্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক ইচ্ছায় এটি সমপ্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মতামত...