,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে নিহতদের ৫ লাখ টাকা করে দিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র প্রয়াত এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে দিয়েছেন।

আজ রোববার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে মহিউদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে চশমাহিলের বাসায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ ৫ লাখ টাকা করে তুলে দেন।

বিকেল ৪টায় সদ্য প্রয়াত নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায় পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমবেদনা জানান।

মহিউদ্দিন চৌধুরীর স্ত্রী নগর মহিলা লীগের সভানেত্রী হাসিনা মহিউদ্দিন তার দুই সন্ত্রানকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে বলেন, আপনিই এদের অভিভাবক। তখন প্রধানমন্ত্রী বলেন,‘হ্যাঁ, আমি তাদের অভিভাবক। ’

মহিউদ্দিন চৌধুরীর চশমাহিলের বাসায় প্রধানমন্ত্রী প্রায় ৩৫ মিনিট অবস্থান করে বাসা ত্যাগের আগে প্রধানমন্ত্রী ওই বাসায় অপেক্ষমান নিহতদের স্বজনদের কাছে যান। প্রধানমন্ত্রীকে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন নিহতদের স্বজনরা। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী তাদের মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেন।

হাসিনা মহিউদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- যারা মারা গেছেন তাদের জীবন ফিরিয়ে দেওয়া তো আর আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। নিহতদের জন্য আমি সামান্য সাহায্য এনেছি। প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেকের পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে দিয়েছেন।

পদদলনের শিকার হয়ে নিহত প্রকৌশলী সত্যব্রত ভট্টাচার্যের স্ত্রী প্রিয়াংকা শর্মা প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। প্রধানমন্ত্রী মহিউদ্দিনের বাসভবন ত্যাগের পরেও কান্না থামছিল না প্রিয়াংকার।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা নগর আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক জহরলাল হাজারী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রিয়াংকাকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন। এসময় তিনি প্রিয়াংকার বায়োডাটা জমা নেওয়ার জন্য নওফেল ভাইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

 চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী গত ১৪ ডিসেম্বর গভীর রাতে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। ১৮ ডিসেম্বর মহিউদ্দিনের কুলখানিতে তার পরিবার নগরীর বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টারে মেজবানের আয়োজন করে। কুলখানিতে নগরীর এস এস খালেদ সড়কে রীমা কমিউনিটি সেন্টারে পদদলিত হয়ে দশজনের মৃত্যু হয়। আহত হন ২৫জন।

মহিউদ্দিনের বাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য গৃহায়ন ও গণপূর্মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সংসদ সদস্য এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সাবেক মন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছেলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিবুল হাসান চৌধুরী, উপ-দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ছিলেন।

মতামত...