,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

প্রবাসীরা ব্যাংকের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কিনতে পারবে

ঢাকা,০৬ডিসেম্বর (বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকম)::বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেছেন, ‘প্রবাসীরা এনআরটিএ (প্রবাসীদের হিসেব) একাউন্ট ব্যবহার করে ব্যাংকের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কেনার জন্য আবেদন করতে পারে। যেখানে ব্যাংক তাদের সব নিশ্চয়তা দেবে। ব্যাংক ভালোমানের বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করে নিজেরাই নিশ্চয়তাকারী হয়ে প্রবাসীদের ফ্ল্যাট কিনতে সহযোগিতা করবে।’ এতে প্রবাসীদের প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।

শনিবার দুপুরে এনআরবি সেন্টার আয়োজিত ‘পুঁজিবাজার ও আবাসনে প্রবাসীদের বিনিয়োগ শীর্ষক’ এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এ কথা বলেন।

বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকরা দেশে কার্যরত ব্যাংকগুলোর সহায়তায় যাতে নিরাপদে ফ্ল্যাট ক্রয় করতে পারেন সে বিষয়ে ব্যাংকগুলোকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর।

প্রবাসীরা দেশে আবাসনখাতে বিনিয়োগ করে নানা ধরনের সমস্যা ও জাল-জালিয়াতির শিকার হয় বলে অভিযোগ আছে। তাই প্রবাসীরা যাতে বিনিয়োগ বিমুখ না হয়, সেজন্য ব্যাংকগুলোতে এ ধরনের কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘রিহ্যাবকে (আবাসনখাতের সংগঠন) তাদের আচরণ (একজনের ফ্ল্যাট আরেকজনের কাছে বিক্রি করার মত জালিয়াতি) বদলানোর অনুরোধ করছি। তাদের অবস্থানকে মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে লিডারশিপের ভূমিকায় আসতে হবে।’

প্রবাসীরা পাসপোর্ট থেকে শুরু করে তাদের সব ধরনের ডকুমেন্ট ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকে পাঠিয়ে একাউন্ট (ব্যাংক হিসাব) খুলতে পারবে বলেও জানান আতিউর রহমান।

খুব শিগগিরি এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এছাড়া প্রবাসীদের পাঠানো টাকা নিয়ে যদি কোন ব্যাংক প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে তবে তাদের ছাড় দেয়া হবে না বলেও সতর্ক করে দেন ড. আতিউর।

গভর্নর বলেন, ‘সরকারের সহযোগিতা পেলে প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক পেনশন স্কিমের ব্যবস্থা করতে চায়।’ দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতার বিভিন্ন চিত্র তুলে ধরে প্রবাসীদের বেশি বেশি পুঁজিবাজার ও আবাসন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান গভর্নর।

অনুষ্ঠানে এনআরবি সেন্টারের চেয়ারম্যান শাকিল চৌধুরী দেশে বিনিয়োগে প্রবাসীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, ‘ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ চুরি করা হয় যা একটি বড় সমস্যা। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক্ষেত্রে সহযোগিতা করে কিন্তু এটা অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি বলেন, ‘রাজউকের কিছু কর্মকর্তা ১৫-১৬ বছর আগে বরাদ্দ দেয়া ফ্ল্যাটের কাগজপত্র গায়েব করে, মূল ভলিয়ম থেকে তথ্য নষ্ট করে যদি নতুন করে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেয় তবে কীভাবে প্রবাসীরা আবাসনখাতে বিনিয়োগে আসবে? স্বয়ং রাজউক যদি এ ধরনের কাজে জড়িত থাকে তাহলে বিনিয়োগ তো বাধাগ্রস্ত হবেই।

এ সময় অন্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি কাজী আকরাম উদ্দীন, এনবিআরের সদস্য পারভেজ ইকবাল, এফবিসিসিআইয়ের প্রথম সহসভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিনসহ আরো অনেকে।

মতামত...