,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

ফটিকছড়িতে শান্তিপূর্ণ ভোট ১ কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ

voter lineনিজস্ব প্রতিবেদক,বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৪টি ইউনিয়নে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর পর্যন্ত কোথাও কোন বড় ধরণের গোলযোগ না হলেও একটি কেন্দ্রে হামলা এবং দুইটি ইউনিয়নে ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী।

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের শনিবার সকাল ৮ টা থেকে শুরু ভোট গ্রহন শুরু হয়। সকাল থেকে কেন্দ্র গুলোতে ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।

ফটিকছড়ির ১৫ ইউপিতে ভোট হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনের একদিন আগে হাইকোর্টেও স্থগিতাদেশের কারণে ভূজপুর ইউনিয়নে নির্বাচন হচ্ছেনা।

নির্বাচনে আওয়ামীলীগ,বিএনপি ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে সর্বমোট ৪৪জন চেয়ারম্যান ভোটযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। ১৪টি ইউনিয়নের সর্বমোট ১২৮ কেন্দ্রের মধ্যে ৮২টি কেন্দ্রকে আগেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। ভোটের আগের রাতে উপজেলার বাগান বাজার ইউপির রসুলপুর কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীও সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় মেম্বার প্রার্থী আয়াত আলীর চার সমর্থক আহত হয়েছে বলে দাবী করেন তিনি।

জাফত নগর ইউপির স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. সোলাইমান অভিযোগ করেন তার ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদেরকে বের করে দেয়া হয়েছে। এসব কেন্দ্রে সরকার দলীয় প্রার্থীর লোকজন ব্যালট পেপার নিয়ে সীল মারছে। এসব অভিযোগে তিনি বেলা ১১টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

২ নং দাঁতমারা ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী (আনারস প্রতীক) সেলিম উদ্দিন জানান, ইউনিয়নের ২,৩,৪ নং কেন্দ্রে জোর করে ব্যালট পেপারে সীল মারা হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী ইদ্রিস মিয়া ইলিয়াছ। এ অভিযোগে তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।

তবে দাঁতমারা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে আসা ভোটার নুরুল ইসলাম কাঞ্চন জানান, তিনি ভোট দিয়েছে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে। ভোট দিতে গিয়ে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতায় পড়েননি।

বেলা ১২টার দিকে হারুয়াল ছড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা শিমুল ধরের নেতৃত্বে হামলা হয়েছে বলে জানাগেছে। জোরালগঞ্জ থানার ওসি’র নেতৃত্বে টহল পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে।

এদিকে সকাল থেকে কেন্দ্র গুলোতে ব্যাপক ভোটার উপস্থিতি থাকলেও ভোট গ্রহন প্রক্রিয়া ধীর গতিতে হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোটাররা। পুরুষদের চেয়ে নারী ভোটারের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে ব্যাপক হারে।

দাঁতমারা সরকারী প্রাথমিক বিদালয় কেন্দ্রে আইন শৃংখলার দায়িত্বরত উপ পুলিশ পরিদর্শক প্রকাশ প্রনয় দে বলেন, সুষ্ঠ এবং সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহন হচ্ছে। পুলিশ সর্তক অবস্থায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

এদিকে বিচ্ছিন্ন দু একটি ঘটনা ছাড়া উপজেলার ১৪ ইউপির কোথাও বড় ধরনের কোন অঘটনের খবর পাওয়া যায়নি। রাস্তায় অতিরিক্ত পুলিশ, বিজিবর টহল লক্ষ্য করা গেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। দুই ইউনিয়নে ভোট বর্জনের ব্যাপারটি কেউ লিখিতভাবে তাকে জানানো হয়নি বলে তিনি উল্লেখ্য করেন।

মতামত...