,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বঙ্গবন্ধু মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়: কর্ণফুলীর তীরে ১শ একর জমি বরাদ্দের প্রস্তাবনা

নিজস্ব প্রতিবেদক,১১ সেপ্টেম্বর বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য চট্টগ্রাম নগরীর কর্ণফুলী নদীর তীরে মোহরার চর রাঙামাটিয়া ও বাকলিয়া মৌজায় জায়গা নির্ধারণ করে তা প্রতীকী মূল্যে বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাবনা দিয়েছে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসন ।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের খাস খতিয়ানের চারটি দাগের অনুকূলে ৮৩ দশমিক ৬২ একর জায়গা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার জন্য প্রস্তাবনা দিয়ে অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের পাঠানো হয়েছে। চান্দগাঁও সার্কেলের সহকারী কমিশনারের (ভূমি) প্রতিবেদনে দেখা যায়, খাস খতিয়ানের ৭নং দাগে ৪৩ দশমিক ১২ একর, ৮নং দাগে ২৩ দশমিক ৮৪ একর, ৯নং দাগে দুই দশমিক শূন্য আট একর, ১০ দাগে ১৪ দশমিক ৫৮ একর মিলে মোট ৮৩ দশমিক ৬২ একর জায়গা কোনো প্রকার স্থাপনাবিহীন খালি ও অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। এসব ভূমি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত থাকে। তবে ভাটার সময় পানি নেমে যায়।


জেলা প্রশাসন ৮৩ দশমিক ৬২ একর জমির মূল্য নির্ধারণ করেছে সাতশ ৬৪ কোটি ২২ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩৬ টাকা। সংশ্লিষ্ট মৌজার এক বছরের জমি ক্রয়–বিক্রয়ের গড় হিসাব মতে এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এছাড়াও বন্দোবস্ত নীতিমালার ৩(গ) ও ১০ ধারা অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেলামি মূল্যের ১০ শতাংশ হিসাবে ২২৯ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার ৭৮০ টাকা পরিশোধ সাপেক্ষে বা প্রতীকী মূল্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বন্দোবস্তের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছরের ২৪ মে কমিটি বন্দরের অনাপত্তি প্রসঙ্গে এসব অব্যবহৃত ভূমি পুনরুদ্ধার কমিটির সিদ্ধান্ত হয়।

জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর বাকলিয়া মৌজার ১৪ দশমিক ৯৩ একর ও চর রাঙামাটিয়া মৌজার ৮৫ দশমিক শূন্য ৭ একরসহ একশ একর জমি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত এসব জমি অধিগ্রহণ করে বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রতাবনার পক্ষে মতামত প্রদান করেছে।

পকাশ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে সমুদ্রসম্পদ আহরণ ও গবেষণার জন্য চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণা দেন। সে অনুসারে এই বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস স্থাপনে কর্ণফুলীর তীরে ১০০ একর ভূমির প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। অনেক চড়াই–উৎড়াই পেরিয়ে মোহরার চর রাঙামাটিয়া ও বাকলিয়া মৌজায় সেই কাক্সিক্ষত জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাবনা দেয় জেলা প্রশাসন। সকল জটিলতা কাটিয়ে তা এখন ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবনার অপেক্ষায় রয়েছে। অবশ্য ২০১৪ সালেই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ঢাকার অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয়েছে।

মতামত...