,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ বাঁশখালী-কুতুবদিয়ার ২০ জেলের সন্ধান মিলেনি ১ বছরেওঃভারতীয় দূতাবাসে অনুসন্ধান

শাহ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা,  বিডিনিউজ রিভিউজঃ ১ বছর খোঁজ মিলেনি বাঁশখালী-কুতুবদিয়ার ২০ জেলের গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে এফবি মুসা ফকির নামের একটি বোট শেখেরখীল থেকে গভীর সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ সালে মংলা বন্দর থেকে আনুমানিক ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে গেলে ঘূর্ণিঝড়ের কবলে পড়ে এফি মুসা ফকির বোটটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর থেকে কোন জেলের খবরাখবর পাওয়া যায়নি। বাঁশখালীর ১৩ জেলের মধ্যে শেখেরখীল ইউনিয়নের মৃত মোহাম্মদ শরিফের পুত্র আহমদ কবির, ইউছুফ জামাল মাঝি, জসিম উদ্দিন, ইউছুফ জামাল মাঝির পুত্র তৌহিদুল ইসলাম, জসিম উদ্দিনের পুত্র আবদুল হামিদ, মৃত আজগর হোছাইনের পুত্র আবদুল মান্নান, এয়ার মোহাম্মদের পুত্র আবদু ছাত্তার, মনির আহমদের পুত্র ছৈয়দ নুর, পুইছড়ি ইউনিয়নের ইউছুফ আলীর পুত্র নুরুল হোছাইন ড্রাইভার, দেলোয়ার হোছাইনের পুত্র মোহাম্মদ হোছাইন, মোহাম্মদ হোছাইনের পুত্র মাইমুন রশিদ, মৃত ছাবের আহমদের পুত্র মোঃ ইসমাইল, ছিদ্দিক আহমদের পুত্র রিদুয়ানুল হক। কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া উপজেলার উত্তর ধুরুম ইউনিয়নের জামাল হোছাইন এর পুত্র তানভির হোছাইন, মৃত সামশুল আলমের পুত্র জুবাইর আহমদ, আবদুল গফুরের পুত্র সাদ্দাম হোছাইন, মৃত আছাব উদ্দিনের পুত্র মোঃ শাহ ইউনুচ, এলাদাতের পুত্র নুরুল আবছার, মৃত আবদুল জলিলের পুত্র মোঃ বাচ্ছু, নজির আহমদের পুত্র দিল মোহাম্মদ। উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, নিখোঁজ পরিবারগুলো উপজেলা মৎস্য অফিসের মাধ্যমে মহা-পরিচালক মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা এর মাধ্যমে ভারতীয় দূতাবাসে অনুসন্ধানের জন্য আবেদন পাঠায়। আবেদনে জানা যায় ভারতের উড়িষ্যা অথবা কলকতা উপকূলে বোটটি জেলেসহ নিখোঁজ হতে পারে এবং জেলেদের ভারতীয় নৌ-বাহিনী ভারতের জেলখানায় আটকেও রাখতে পারে। এই জন্য ভারতীয় হাই কমিশনে অনুসন্ধান চলছে বলে জানান উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা লুৎফুর রহমান। তিনি আরও বলেন ২০ পরিবারের মধ্যে অনহারে-অর্ধাহারে তাদের স্ত্রী-সন্তানরা দিন কাটাচ্ছেন। অফিসে তাদের অভিভাবকরা ধর্না দিলেও আমি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাওলানা অধ্যক্ষ জহিরুল ইসলামের কাছ থেকে বাঁশখালীর প্রতি পরিবারের জন্য ৫ হাজার টাকা করে সাহায্য করা হয়েছে।

নিধি ঃ

মতামত...