,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাঁশখালীতে ঝুঁকিপূর্ণ মৌলভীবাজার ব্রীজটি সংস্কার হয়নি ১ যুগেও

শাহ্ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ ,বাঁশখালী্‌,২১মে,বিডিনিউজ রিভিউজ.কম:: বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম বাঁশখালীর জলকদর খালের উপর স্থাপিত অধিকাংশ সেতু নষ্ট হয়ে মৃত্যু ফাঁদে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে ছনুয়া এবং শেখেরখীলের মধ্যবর্তী মৌলভী বাজার কাঠের ব্রীজটি এতবেশী ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যেকোন মুহুর্তে ধ্বসে প্রাণহানির মত ঘটনা ঘটতে পারে। ৯১ এর ঘূর্ণিঝড়ের পর বাঁশখালীর উপকূলীয় ব্রীজ গুলো সংস্কার করা হয় ১৯৯৫ সালে। এরপর থেকে এই ব্রীজের উপর দিকে লবণ পরিবহন থেকে শুরু করে সকল ধরনের যোগাযোগ রক্ষা করতে গিয়ে ব্রীজটি নষ্ট হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণের দাবীর প্রেক্ষিতে চলাচল রক্ষা করার জন্য স্টীল ব্রীজ নষ্ট হওয়ার কাঠ দিয়ে তৈরী করে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। বর্তমানে কাঠ গুলো নষ্ট হয়ে পড়ায় যেকোন সময় ভেঙে পড়তে পারে ব্রীজটি এই আশংকায় স্থানীয় জনগণ। উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার ছনুয়ার অর্ধ লক্ষাধিক জনগণের এই ব্রীজটি বিগত দিনে ছনুয়া শেখেরখীল সড়ক সংস্কারের সাথে এই ব্রীজটিও সংস্কারের উদ্যোগে নেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এই ব্রীজটি সংস্কার করা হয়নি। ফলে বিগত দিনে রোয়ানু আক্রান্ত ছনুয়াবাসীর জন্য ত্রাণসহ প্রয়োজনীয় মালামাল প্রেরণ করতে সীমাহীন ভোগান্তি পোহাতে হয়। বর্তমানেও এই কাঠের ব্রীজ দিয়ে ভারী কোন যানবাহন চলাচল করতে না পারায় ওই এলাকার জনগণ তাদের প্রয়োজনীয় মালামাল পরিবহন করতে পারছে না। এ ব্যাপারে ছনুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হারুন বলেন, একদিকে ছনুয়ার সড়ক, অপরদিকে এই ব্রীজটি সংস্কার না হওয়ায় এলাকাবাসী না ভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। প্রতিটি উন্নয়ন সভায় সড়ক এবং ব্রীজটি সংস্কারের জন্য আবেদন নিবেদন করা হচ্ছে। কার্যত কোন কাজ হচ্ছে না। ছনুয়া সড়ক সংস্কারের জন্য নতুন করে টেন্ডার করা হয়েছে। চলতি বছরেই ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ছনুয়া সড়ক সংস্কার করা হবে। অপরদিকে মৌলভী বাজার ব্রীজটি সংস্কারের জন্য ৪ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তাও অচিরেই সংস্কার করা হবে। বাঁশখালীর সাংসদ আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা সড়ক এবং ব্রীজটি চলতি বছরের মধ্যে সংস্কারের জন্য জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বাঁশখালীর ছনুয়ার জনগণের যোগাযোগে একমাত্র সড়ক এবং মৌলভী বাজার ব্রীজটি অচিরেই সংস্কারের মুখ দেখবে এই আশা স্থানীয় জনগণের।

 

মতামত...