,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাঁশখালীতে পল্লী বিদ্যুতে দালাল ছাড়া কাজ হয় না

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা :বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ চট্টগ্রাম,বাঁশখালীর পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে সীমাহীন দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। নতুন সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ১২শ-১৮শ টাকা খরচ করার কথা থাকলেও এক্ষেত্রে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৩-১০ হাজার টাকার বিনিময়ে নতুন মিটার স্থাপন করা হয়। সম্প্রতি মাহাবু নামের এক দলাল শীলকূপ ইউনিয়নের পূর্ব শীলকূপ গ্রামে মোঃ মনজুর আলম, মোঃ সরওয়ার, আবদুল কাদের, মোঃ ইউসুফ, আবদুর রশিদ ও বদিউল আলমের কাছে প্রতি মিটারে ৮ হাজার টাকার বিনিময়ে মিটার বসানো হয়েছে বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেছেন।  সো্রেছে ১৬ মে সকাল ১০ টায় ঐ এলাকায় মোক্তার আহমদ নামে একটি ইস্যু করা মিটার বসাতে যায় দালাল মাহাবু। মোক্তার আহমদ বাড়ীতে  মিটার বসিয়ে দেয় এই দালাল। কিন্তু পল্লী বিদ্যুতের মিটার এবং লাইনের কাছ করার জন্য লাইন ম্যান থাকলেও গ্রাহকদের কাছ থেকে অধিক টাকা নেওয়ার জন্য দালালরাই কন্টাক করে মিটার নিয়ে যায়। বাড়ীর মালিক হাছিনা বেগমের সাথে কথা বলে জানা যায় মাহাবু বলেছে আপনার মিটারের সিরিয়াল অনেক পিছনে। আরো দুয়েক মাস সময় লাগবে। ২-৩ হাজার টাকা দিলে আমি ২-৩ দিনের মিটার বসিয়ে দেব। ঠিক ৪ দিন পরেই মিটার নিয়ে গেল দালাল মাহাবু। সাথে পল্লী বিদ্যুতের কোন স্টাফ ছিল না। মিটার বসিয়ে দেওয়ার পর হাছিনা বেগমের কাছে ৩ হাজার টাকা দাবী করলে সে ২ হাজার ৫শ টাকা দেয়। টাকা মাহাবু চলে আসে। দালাল মাহাবু ওই এলাকার হওয়ায় সে তার কাছ থেকে মিটার না নিলে অধিক টাকা বিল আসবে এবং সে বললে মিটারের লাইন কেটে দিবে বলে বিভিন্ন আতংক ছড়িয়ে নিজেকে পল্লী বিদ্যুতের বড় অফিসার দাবী করে মাহাবু। এজন্য স্থানীয় সাধারণ বিদ্যুৎ গ্রাহকরা তার কাছে আশ্রয় নিতে বাধ্য। পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্রে জানা যায় সে পল্লী বিদ্যুতের কোন স্টাফ কিংবা ইলেক্ট্রিশিয়ানও নয়। বিভিন্ন অফিসে এসে বিভিন্ন ইলেক্ট্রিশিয়ানের সাথে কাছ করে সে এই সুযোগটা ভোগ করে। অফিসের কিছু অস্বাদু অফিসার তাকে টাকার বিনিময়ে এই অনৈতিক কাজে সহায়তা করে।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুতের ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মাহাবু নামে আমাদের কোন স্টাফ নেই।  মঙ্গলবার ১৭ মে কে বা কারা মিটার নিয়ে গেছে তা আমার বোধগম্য নয়। এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বাঁশখালী পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মাহাবুবুর রশীদ ছুটিতে থাকার কারণে তাহার মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে পাওয়া যায়নি।

মতামত...