,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাঁশখালীর সরলে নির্বাচনের আগেই চেয়ারম্যান হচ্ছেন রশিদ চাচা

abnr ad 250x70 1শাহ মুহাম্মদ শফিউল্লাহ,বাঁশখালী সংবাদদাতা, বিডি নিউজ রিভিউজ ডটকমঃ বাঁশখালীর সরল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং সর্বজন খ্যাত চাচা রশিদ আহমদ চৌধুরী বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় চেয়ারম্যান হতে যাচ্ছেন ! তিনি স্থানীয় এমপি মোস্তাফিজুর রহমানের চাচা হবার সুবাদে স্থানীয় প্রশাসন ও সকল শ্রেণি পেশার অধিকাংশ মানুষের কাছে চাচা হিসেবে পরিচিত । সকলে তাঁকে চাচা হিসেবে সম্বোধন করতে সকলে সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন । তিনিও এই ডাকে খুশী হন।
সরল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার ও নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাঁশখালীর সরল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের রশীদ আহমদ চৌধুরী, বিএনপির জাফর আহমদ, স্বতন্ত্র মো. আনছার উল্লাহ, মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীসহ ৪জন প্রার্থী চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেন। গত ১১মে ও ১২ মে ছিল মনোনয়ন পত্র বাছাইয়ের দিন। গত ১১ মে বুধবার ৩টায় বাছাই পর্বে আনছার উল্লাহ বাছাই পর্বে উপস্থিত হয়ে স্বহস্তে লিখিত আবেদন করে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন, ঋণ খেলাপির কারণে মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর মনোনয়ন পত্র বাতিল হয়ে যায়। বাকী বিএনপি’র প্রার্থী জাফর আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন প্রার্থীর প্রস্তাবকারী ও সমর্থন কারীর স্বাক্ষর জাল ও নকল চ্যালেঞ্জ করে গত ১১ মে বুধবার বেলা ৪টায় ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী রশিদ আহমদ চৌধুরী । ওই অভিযোগ পাবার পর রির্টানিং অফিসার বিএনপি প্রার্থীকে প্রস্তাবকারী ও সমর্থন কারী উপস্থিত করে গতকাল ১২ মে বৃহস্পতিবার ৫টার মধ্যে সত্যতা প্রমাণের নোটিশ জারী করেন। ওই নোটিশ পেয়েও গত ১২ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত রির্টানিং অফিসারের কার্য্যালয়ে উপস্থিত হননি বিএনপি প্রার্থী জাফর আহমদ চৌধুরী। তবে তিনি স্থানীয় বিএনপি’র কোন্দলের কারণে এলডিপি’তে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি এখনও এলডিপি নেতা হিসেবে পরিচিত। অথচ প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি’র। এই বিষয়টিও স্থানীয় বিএনপি’তে প্রতিক্রিয়া রয়েছে।
সরল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের রির্টানিং অফিসার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপি প্রার্থীকে নোটিশ জারী করার পরও গত ১২ মে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী উপস্থিত করতে পারেননি। তিনি নির্বাচনি সংক্ষিপ্ত শুনানিতে সশরীরে উপস্থিতও হননি, তাই মনোনয়নপত্র বাতিলের (ঘ) ধারা বলে তাঁর প্রার্থীতা বাতিল করা হয়।’
বিএনপির প্রার্থী জাফর আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘ আওয়ামীলীগ নেতাদের হুমকি পেয়ে আমি প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী উপস্থিত করতে পারিনি। তাই প্রশাসন কৌশল করে আমার প্রার্থীতা বাতিল করেছে। আমি শেষ পর্যন্ত আপিল করব।’
আওয়ামীলীগের প্রার্থী রশীদ আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘ এলডিপি’র নেতা বিএনপি’র হয়ে নির্বাচন করতে গিয়ে তাদের দলীয় কোন্দলে প্রস্তাবকারী ও সমর্থনকারী কারসাজি করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত হয়েই আমি অভিযোগ করেছি। তাছাড়া জাফর আহমদ এমন কোন জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী নেতা নয় যে. তাঁকে চাপ বা হুমকি দেব, এসবের প্রশ্নই আসে না। নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় রির্টানিং অফিসারের বিষয় আমার বিষয় নয়।’

মতামত...