,

সর্বশেষ
bnr ad 250x70 1

বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড শেষ ওয়ানডে আজ: টানা সপ্তম সিরিজ জয়ের হাতছানি

নিজস্ব  প্রতিবেদক, বিডিনিউজ রিভিউজঃ  প্রথম ম্যাচে শেষটায় অমন তালগোল পাকিয়ে না ফেললে এতক্ষণে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেয়েই যেত বাংলাদেশ।  bd-vs-eng

ম্যাচটা হেরে গেলেও দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে এখন ১-১ সমতা। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে আজ শেষ ম্যাচটা তাই রূপ নিয়েছে অঘোষিত ফাইনালে।

আর বাংলাদেশ এই ম্যাচটা জিতলেই প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জিতবে সিরিজ। সেই সঙ্গে উপমহাদেশের মাত্র দ্বিতীয় দল হিসেবে ঘরের মাঠে জিতবে টানা সাতটি ওয়ানডে সিরিজ।

তবে সিরিজ নির্ধারণী এই ম্যাচের আগে ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা কমই। দ্বিতীয় ম্যাচে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়েই আলোচনা বেশি। ওই ম্যাচে প্রথমে ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার, পরে বেন স্টোকসের সঙ্গে লেগে গিয়েছিল বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি ও সাব্বির রহমানকে জরিমানাও করা হয়েছে। বাটলারকে করা হয়েছে তিরস্কার।

মঙ্গলবার ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনেও উঠে আসে প্রসঙ্গটি। ইংল্যান্ডের প্রতিনিধি হয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসা মঈন আলী অবশ্য বলেছেন, ক্রিকেটেই পুরো মনোযোগ দিতে চান তারা, ‘ওই ম্যাচে ছেলেদের কয়েকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। যেকোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটি ম্যাচে এমনটা হতেই পারে। আমাদের কয়েকজন খেলোয়াড় মেজাজ হারিয়েছিল, বাংলাদেশ দলেরও তাই। এখন ওসব পেছনে পড়ে গেছে, আমরা মনোযোগ দিচ্ছি ক্রিকেটে।’

তবে চাইলেই যে কী আর বিতর্ক পেছনে ফেলা যায় না, সেটি মঈনের পরের কথাতেই স্পষ্ট, ‘আমার মনে হয়, এটি দুই দলকে আরো তাতিয়ে দেবে। দুদলই এখন বেশি করে জিততে চাইবে। ওরা নিজেদের মাটিতে টানা ছয়টি সিরিজ হারেনি, আমরা হারাতে চাই। আমাদের অধিনায়ক মরিয়া হয়ে জিততে চাইবে ম্যাচটি।’

মাশরাফির সংবাদ সম্মেলনে স্কাই স্পোর্টসের এক প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন বসেন, অমন উদযাপনের জন্য বাটলারকে ‘সরি’ বলবেন কি না? বাংলাদেশ অধিনায়কের সোজাসাপটা জবাব, ‘এমন কিছু করিনি যে সরি বলতে হবে। আমরা স্রেফ উদযাপন করেছি। আমাদের দু:খ প্রকাশ করার কিছু নেই। যা হয়েছে, ম্যাচ রেফারি দেখেছেন এবং সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি মনে করি, ছেলেরা স্রেফ উদযাপন করছিল।’

বাংলাদেশ অধিনায়কও সব ভুলে ক্রিকেটেই মনোযোগ দিতে চান, ‘আমাদের দল পুরোপুরি স্বাভাবিক আছে। শতভাগ নিশ্চিত যে আমাদের দল ওটা নিয়ে ভাবছেও না। আমরা ভাবছি খেলা কীভাবে ভালো খেলা যায়। আমি নিশ্চিত আমাদের ছেলেরা সবাই চেষ্টা করবে স্বাভাবিক থাকতে এবং সেরা খেলাটা খেলতে।’

২০১১ বিশ্বকাপে এই মাঠেই ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ। গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকাকেও একই মাঠে হারিয়েই সিরিজ জিতেছিল মাশরাফির দল। তবে শুধু অতীত রেকর্ডকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে মাঠে নামতে চান না মাশরাফি, ‘এই মাঠে আমাদের রেকর্ড অবশ্যই ভালো। তবে সেটা ধরে নিয়ে তো ম্যাচ খেলতে নামা যায় না। প্রতিটি ম্যাচ নতুন শুরু। আমরা যেভাবে খেলছি, সেভাবে খেলতে চাই। এবং দুটো ম্যাচের ভুলগুলো শোধরাতে চাই।’

ম্যাচটি নিয়ে কিছুটা দুশ্চিন্তাও থাকছে। আগের তিন দিনই চট্টগ্রামে বৃষ্টি হয়েছে। ম্যাচের দিনও কেঁদে উঠতে পারে চট্টগ্রামের আকাশ!

মতামত...